আল কোরআনের ১১ম পারার শানে নুযূল আলোচনা করা হল। hadith of the day

hadith of the day।

নিশ্চয় যারা আলেম তারা বুঝিতে পারেন যে আল্লাহ সূর্যকে দীপ্তিমান এবং চন্দ্রকে আলোকময় বানাইয়াছেন যাহাতে তোমরা বৎসর সমূহের সংখ্যা ও হিসাব জানিতে পার। কাজেই আঃ সমস্ত জিনিস অযথা তৈরি করেন নাই।

নিশ্চয় দিনের পর রাত এবং রাতের পর দিনের সমাগম না হইলে কি অবস্থার তৈরি হইত শুধু গেনওবান লোকেরাই তাহা উপলদ্দি করিয়া লাভবান হইয়া থাকেন।

প্রত্যেকটি পরিবারেও একজন মালিক থাকেন।আসমান আর জমিন কি আপনা আপনি তৈরি হইছে? এর তৈরি কারি বা  নিয়ন্তক একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কে হতে পারে। এটা বিশ্বাস করা অস্বাভাবিক নয়? যাহারা ইহাতে বিশ্বাস না করে তাহাদের স্থান একমাত্র জাহান্নাম। নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তায়ালা ইমান্দারদেকে তাহাদের লক্ষস্থল পঞ্ছাইবেন।

শান্তির উদ্যান সমূহ তাহাদের বাসস্থানের তলদেশে নহর সমূহ ভমান থাকিবে।

বেঈমানেরা এমন জিনিস সমূহের এবাদত করে, যাহারা তাহাদের কোন উপকারে আসবে না। কোন অপকার করিতে পারবে না। ফেরেশতা ঘন স্ব লিপিবদ্দ করিয়া রাখিয়াছেন।স্থলে ও জলে যখন তাহারা ঝোড় তুফান ও তরঙ্গমালায় পতিত হয় তখন তাহারা খাঁটি বিশ্বাসের সাথে আল্লাহ্‌ কে ডাকিতে থাকে- আল্লাহ্‌ বাচাও বাঁচাও।

তখন তাহারা বলবে আমরা অবশ্যই অনুগত হইয়া যাইব। বিপদমুক্ত হইয়া তাহারা অন্যায় কাজ শুরু করিয়া দেয়। আল্লাহ্‌ ব্লেন লোকজন শুনিয়া রাখ- এই বিরুদ্দে আচরণ তোমাদের জনেও বিপদ হইবে- পার্থিব জীবনে ইহা দ্বারা ফলভোগ করিবে,  অতপর আমরাই পানে তোমাদের ফিরিয়া আসিতে হিবে।নিশ্চয় তোমাদের নাফরমানীর জন্য অন্তকাল কঠোর শাস্তি ভোগ করিতে হইবে। যেদিন আল্লাহ্‌ তোমাদের মধ্যে বিভেদের তৈরি করিয়া দিবেন এবং তাহাদের শরিক বলিবে কই তোমরাত আমাদের এবাদত করিতে না? আল্লাহ্‌ জিবন্ত কে প্রাণহীন করেন আবার প্রাণহীন কে জীবন দান করেন। তোমরা সত্যকে ছাড়িয়া মিথ্যার দিকে জাইওনা।ইহাতে কোন স্নগ্ধেহ নাই। আল কুরআন আল্লাহ্‌র নিকট থেকে নাযিল হইছে। যাহা পূর্ববর্তী কিতাব সমূহের সত্যতা প্রমাণ কারি। সারা বিশ্বের জীন- ইনচান ইহার কোন একটি সুরাও আনয়ন করিতে পারিবে না।ইহা আবশ্যকীয় বিঁধান সমূহের তফছিল বর্ণনা কারি। ইহাতে কোন সংধেহ নাই। সময় আসিয়া পড়িলে মুহূর্তকাল তারা আগে পিছে যাইতে পারিবে না।