আল কোরআনের ১৩তম পারায় আল্লাহ যা বলেছেন। bangla hadith

এই পারায় বর্ণনা করা হয়েছে। যেকোনো চক্রান্ত কারি সফল হয় না। আল্লাহ্‌র প্রেরিত নবীগণ সকলেরই শুধু মানুষকে হেদায়াতের জন্যে আসেছেন। সত্য প্রকাশ এবং প্রতিষ্ঠা করার জন্য এসেছিলেন। তার জন্য কোন প্রকার বিনিময় চাইতেন না।

তার পরেও সত্য প্রচারের জন্য অনেকেই অতাচারিত হয়েছেন। তার পরও আল্লাহ্‌র প্রচার থেকে বিরত হন নাই।

এই কোরআন কারো মন গড়া কোন কিছু নাহ। ইহা সব কিতাবের সেরা কিতাব।

ইহা হেদায়াত অ রহমত স্বরুপ এবং প্রত্যেক বিষয়ে সবিস্তার বর্ণনা কারি।

আল্লাহ্‌ আসমান সমূহকে খুঁটি বেতিত দাড় করিয়া রেখেছেন।

অতঃপর আরশের উপর ইনি পতিস্থিত হইলেন এবং চন্দ্র অ সূর্যকে কাজে রত করিলেন। সবাই এক নির্দিষ্ট সময়ে চলিতে থাকে। তিনি সকল কাজ পরিচালনা করেন।

ফলের মধ্যে ছুট বড়, টক- মিষ্টি করিয়াছেন।তিনি রাত্রি দ্বারা দিনকে ডাকিয়া দেন।

এই সমস্ত বিষয়ে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে তওহীদের নিরদশন সমূহ রয়েছে।

পৃথিবীকে ব্যাবহার করিতে আবহমান আবর্জনা জমিতেছিল,

জমিতেছে  এবং জমিতে থাকিবে। এ গোলোকে যদি বর্ষণের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ ভাষাইয়া না দিতেন তবে কি পৃথিবী বসবাসের উপযোগী থাকিত?

ইহা কি শুধু আল্লাহ্‌র কাজ নয়?

আর কারো দ্বারা সম্ভব? ইহা কি আল্লাহ্‌র শক্তির প্রমাণ নয়?

চিন্তাশীলরাই তাহা ভাবিয়া দেখে। যাহারা আল্লাহ্‌র নাফরমান তাহারা পরকালে আজাব হইতে নিজের মুক্তির জন্য দুনিয়ায় রেখে আসা দব্র সমূহ অ যাবতীয় ধন সম্পদ দিতে চাহিবে। কিন্তু তাহাদের জন্যে তখন করুণা থাকিবে না।

আর উহা অতি নিকৃষ্ট নিবাস। আর উপদেশ তো বুদ্দিমান লোকেরা গ্রহণ এবং পালন করে।