আল কোরআনের ১৭ পারায় আল্লাহ্‌ যা বলেছেন।বাংলা কোরআন

আল্লাহ্‌ বলতাছেন আমি এমন রাসুল পাঠাই নাই যাহারা খাদ্য খাইতেন না। এবং আমি তাদের কে চিরস্থায়িও করি নাই। আমি যে কিতাব নাযিল করিয়াছি তাহার প্রতি তাহাদের নসিইয়াত রয়েছে। আমি ধ্বংস করিয়াছি অনেক অবিশ্বাসী সম্প্রদায়কে এবং তাহাদের পর অন্য জাতি তৈরি করিয়াছি। তাহাদের নিকট আজাব আসার সময় বলিত হায় আমরা সত্যি অত্যাচারী ছিলাম। তাদের এ রকম আবেদন চলিতে থাকিত। মুসরেকরা বলিত আল্লাহ্‌ ফেরেশ্তাকে সন্তান রুপে গ্রহণ করত। নাউজুবিল্লাহ। আল্লাহ্‌ কাউকে জন্ম দেন নাই, তিনিও কারো হইতে জন্ম গ্রহন করেন নাই। তিনি জমিনের উপর  পর্বত সমূহ তৈরি করিয়াছেন। যাতে জমিন মানুষের উপর হেলিয়া পরিতে না পারে।আর তিনি আসমানকে খুঁটি ছাড়া তৈরি করিয়াছেন। মানুষের খাদ্য তৈরির জন্য আসমান থেকে বিসটি বর্ষণ করেন।

মাটির মূর্তি গুলো যাদের কিছু করার ক্ষমতা নাই। ইব্রাহীম {আঃ} এই মূর্তি গুলোকে কুঠার দিয়ে খণ্ড খণ্ড করে ছিলেন। ইব্রাহিমকে বলা হোলও মূর্তি গুলো কে বেঙ্গেছে?

ইব্রাহীম {আঃ} বলিলেন মূর্তি গুলোকে বল কে বেঙ্গেছে?

তখন কাফেররা আর কথা বলে না।ইব্রাহীম {আঃ} বলিলেন যাহারা কারো উপকারও করতে পারেনা। কারো অপকার করতে পারেনা। আল্লাহ্‌ বলতেছেন  আমি পর্বত সমূহকে দাউদের আদেশানুগত করিয়াছিলাম। যাহারা তাহার সাথে তসবিহ পাঠ করিত এবং পাখি সমুকেও। তাহাদের বর্ম নির্মাণের কৌশল শিখায়েছিলাম। যা তোমাদের কে একে অন্যের আঘাত হইতে রক্ষা করিবে। তোমরা কি শোকর করিবে না?

তিনি প্রবল বাতাস কে সুলায়মানের অনুগত করিয়াছিলেন।

যারা নিজেদের ধর্মে বিভেদ  তৈরি করিবে। তাহারা সহ আল্লাহ্‌র নিকট ফিরিয়া জাইবে। আল্লাহ্‌ ওহীর মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন তিনি তাহাদের মাবূদ, একি মাবূদ, এতে ওজর আপ্তির কিছু নাই। হ্যাঁ মানব গন নিজেদের রবকে ভয় কর। নিঃসংদেহে কিয়ামতের কম্পন বড় ভীষণ ব্যাপার হইবে। সে দিন নিজের মা নিজের সন্তানকে ভুলিয়া থাকিবে।

সকল গর্ববর্তি নারীরা তাহাদের গর্ভকে নিক্ষেপ করিবে।

মানুষ মাতালের মত হয়ে যাবে। কিন্তু মাতাল হইবে না।

আল্লাহ্‌র আজাব খুব কঠিন। মানুষ আল্লাহ্‌র সার্ব বিষয় সব কিছই জাতিভেদে ভুলিয়া যাইতেছে। মানুষ প্রাচীন নীতিতেই বিশ্বাসী এখনও।

আজ এই পর্যন্ত সামনে ১৮ পারার আলোচনা নিয়ে আসব।

আমাদের সাথেই থাকুন।