আল কোরআনের ৩০ পারার আলোচনা ৩য় পর্ব।Bangla quran

আল কোরআনের ৩০ পারার আলোচনা ৩য় পর্ব।Bangla quran

আজ bangle quran নের ৩০ পারার শেষে আল্লাহ্‌ কি কি বলেছেন। তা আলোচনা করা হল।

হে পয়গাম্বর আপনি নিজ রবের নাম লইয়া কোরআন পাঠ করুন। যিনি আপনাকে তৈরি করিয়াছেন জমাট রক্ত দ্বারা। মানুষ যা জানিত না তা তিনি কলম দ্বারা শিখিয়েছেন।

আল্লাহ্‌ শ্রোতাকে বলিতেছেন- বলতো শ্রোতা আমার যে বান্দা সৎ পথে চলে থাকে, সত্য কথা বলে,  পরহেজগার হয়, ধর্ম অস্বীকার কারি যদি তাহাঁকে তা করিতে বাঁধা দেয়- সে কি জানে না যে আল্লাহ্‌ সব দেখতেছেন। যদি সে ফিরিয়া না আসে আমি তাকে ললাটের কেশগুচ্ছ ধরিয়া হেচ্রাইব। সে তার পরিসদ বর্গকে  ডাকুক, আমি দোযখের পেয়াদাদিগকে ডাকিব। আপনি নামাজ পড়িতে থাকুন।আমার নৈকট্য লাভ করিতে থাকুন।

সূরা কদরঃ কদরের রাত্রের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের সওয়াব অপেক্ষা অধিক।

 সেই রাতে ফেরেশতাগণ এবং জিব্রাইল নিজে প্রতিপালকের আদেশে মঙ্গলময় বস্তু নিয়া পৃথিবীতে আসেন। আর সেই রাত্রি শান্তি আর শান্তি। রমজানের শেষ পাঁচ বেজোড় রজনীর যে কোন একটিতে ইহার আবির্ভাব হয়। সুতরাং রমজানের শেষ দশ রজনী অতীব গুরুত্ব পূর্ণ।

সূরা বাইয়েনাহঃ ইহদি- নাসারা তাদের সত্য ধর্ম সম্বন্ধে মতভেদ ছিল এবং আছে। যাহারা কাফের  তাহারা দোযখের আগুনের বাসিন্দা হইবে। আর যারা  ঈমান আনিয়াছে তারা জান্নাতের বাসিন্দা হইবে।

সূরা জিলজালঃ যখন জমিঙ্কে ভীষণ কম্পনে কম্পিত করা হইবে তখন জমিন বোবা মানুষ ও ধনসম্পদ বাহির করিয়া দিব। কাফেরা বলিতে থাকিবে ইহা কি হইল? সে জমিন ভাল মন্দ খবর প্রকাশ করিয়া দিবে। আর মানুষ ভিবিন্ন দলে বিভক্ত হইয়া পড়িবে। যে বেক্তি দুনিয়ায় রেনু পরিমাণ পুনও ও রেনু পরিমাণ পাপ করিয়াছে তাহা নিজ নিজ আমল নামায় দেখতে পারবে।

 সূরা আদিয়াতঃ মানুষ যে স্বীয় প্রতিপালকের ও কৃতজ্ঞ তাহা সে নিজেও অবগত আছে। তাহার জানা উচিৎ যে সমাধিস্থ হইতে তাহাঁকে জীবিত করা হইবে। নিশ্চয় তার প্রতিপালক তা অবস্থা সম্পর্কে অবগত আছেন।

 সূরা কারিয়াহঃ সেও খতকারির দিন, যে দিন মানুষ বিক্ষিপ্ত পংগ পালের মত হইয়া জাইবে।আর পাহাড় সমূহ পশমের মত উড়িতে থাকিবে। জাহার ইমানের পাল্লা ভারি হবে সে যাবে বেহেশতে। আর যার ইমানের পাল্লা হালকা হবে সে যাবে আগুনে।

সূরা তাকাসুরঃ পার্থিব সম্পদ মানুষকে পরকাল ভুলাইয়া রাখে। নিশ্চয় মানুষ জানে মুতুর পর তার কি অবস্থা হইবে। আল্লাহ্‌ কসম খাইয়া বার বার বলিতেছেন দোযখে মানুষের কি অবস্থা হইবে। মানুষ তখন ইহা এমন দেখা দেখিবে যাহা স্বয়ং প্রতাখখ বিশ্বাস।

সূরা আছরঃজামানার কসম, নিশ্চয় মানুষ অতান্ত ক্ষতির মাঝে আছে। কিন্তু যারা ঈমান আনে আর ভাল কাজ করে। অন্যকে সৎ কাজের আদেশ দেয় আর অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে তারা ছাড়া।

সূরা হুমাজাহঃ নিরতিশয় অনিষ্ট রহিয়াছে প্রত্যেক এমন বেক্তির জন্য যে অগোচরে নিন্দা করে এবং সাক্ষাতে ধিক্কার দেয়। যে লোভে মাল জমা করে এবং বার বার গুনে। সে মনে করে তাহার ধন সম্পদ চিরকাল থাকিবে। কহনও না, আল্লাহ্‌র কসম, সে এমন অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হইবে যে উহাতে যাহা পতিত হয় উহা চূর্ণ- বিচূর্ণ করিয়া ফেলে, উহা আল্লাহ্‌র আগুন যাহা শরীরে লাগিবামাত্র হৃদপিণ্ড পর্যন্ত পুঁছাইয়া যায়, উহা তাহাদের মধ্যে আব্দদ ও বেস্থিত করিয়া দেওয়া হইবে।

সূরা ফিলঃ আপনার কি জানা নাই যে হাতি ওয়ালাদের কিরুপ ব্যাবহার করিয়াছেন?

কাবা  বি নষ্ট করার ব্যাপারে তাহাদের চেষ্টা – তদবির সম্পূর্ণ বেরথ করিয়া দেন। তাহাদের বাহিনির উপরে ঝাকে ঝাকে পক্ষীকুল প্রেরণ করেন। যাহারা  তাহাদের উপর কঙ্কর নিক্ষেপ করিয়া তাঁহাদিগকে ভক্ষিত ভুষির ন্যায় বিনষ্ট করিয়া দেন। রাসুল {সাঃ} এর জন্মের কিছু দিন পূর্বেই আব্রাহা বাদশা আল্লাহ্‌র ঘর ধ্বংস করার জন্য আঃ অভিযান চালিয়েছেন।

সূরা কুরাইশঃ যেহেতু কুরাইশগণ শীত ও গ্রীষ্মকালীন পর্যটনে অভাস্ত হইয়া পড়িয়াছে।

শীত গ্রীষ্মে আল্লাহ্‌ তাহাদেরকে বেবসায় অভাস্ত ও নিরাপদ রেখেছেন। তাহারা যেন কাবার মালিকের ইবাদত করে যিনি তাহাদের কে ভয়ভিতি হইতে নিরাপওা দান করেছেন। আর তাগাদিগকে ক্ষুধায় আহার্য দান করিয়াছেন। কুরাইশদের উৎসাহিত করার জন্য এ সূরা নাযিল হয়। যাহারা আল্লাহ্‌র ঘরের পরিচ্রচা করিতেন।

 সূরা মাউনঃ আপনি  সেই লোকটি কে দেখেছেন যে প্রতিফল দিবসকে অবিশ্বাস করে। অনন্ত্রর সে তো ঐ বেক্তি যে এতিমকে ধাক্কা দিয়া ফিরিয়ে দেয়। আর খাদ্য দানে উৎসাহ প্রদান করে না। সর্বনাশ ঐ সমস্ত নামাজীদের যারা নামাজকে ভুলিয়া থাকে। তারা লোক দেখানো নামাজ পরে যাকাত প্রদান করে না।