আল কোরানের ২০ পারায় আলাহ যা বলেছেন। bangla quran tafsir

bangla quran tafsir আজকে ২০ পারায় রয়েছে। তা নিচে দেওয়া হল।

অমসলিমগন আল্লাহ্‌র মহিমা গভীরভাবে চিন্তা করিলে বুঝিতে পারিবেন। যে আল্লাহ্‌ আসমান জমিন তৈরি করেছেন। তিনি কত মহান।

আর আপনাদের মূর্তিগুলো মাটি দিয়েই তৈরি করা। সেই মাটিও আল্লাহ তৈরি করেছেন। মাটির মূর্তি গুলো মানুষের পাপমোচন করতে পারে? কিন্তু আল্লাহ্‌ পারেন। আল্লাহ্‌ ইচ্ছা করিলে যারা নাফরমান তাদের সম্প্রদায়কে ধ্বংস করিতে পারেন।

নাছারাও বলেন ও জানেন an example is better than cure.

প্রমানের প্রতি লক্ষও করিলে সে সন্দেহ করে তার সন্দেহ দুর হইয়া যাবে। কিন্তু জানিয়াও অন্ধকারে থাকিলে শত শত কোটি লোকও সারাজীবন গন্তবেও পৌছাতে পারবে না। তাদের কে কিছুকালের জন্য মাত্র অবকাশ দেওয়া হইয়া থাকে। ইহা তাদের জন্য একটি সুযোগ মাত্র। ইহা তারা পারেনা কারণ তারা দুনিয়ার আরাম আয়েশ কে বেশি গুরুত্ব দেয়। নবীর কর্তব্য শুধু মানুষের কাছে পৌঁছাইয়া দেওয়া। জোরাজুরির কিছু নাই।

মানুষের সতর্কতার সাথে কাজ করা উচিৎ। যাতে ভুল না হয়।

মরণ হওয়ার সাথে সাথে মানুষের কর্মফল তাহার কাছে পৌঁছাইয়া দেওয়া হইবে।

ঈমান বেক্তিদের অবশ্যই বেহেশত প্রদান করিবে।

দুনিয়ায় যারা ভোগবিলাস করে করেছে তাদের কে বন্দী হিসাবে আনয়ন করা হবে। বাস্তব কথায় যদি কারণকে যাকাত দিতে হয়। তবে সে দেখিল তার অনেক ধনসম্পদ চলে যায়।

এই জন্য কারুন এক অসৎ নারিকে দিয়ে মুসার সাথে জিনার ঘটনা প্রচার করিল। মসা আঃ তাহাঁকে ধমক দিলে সে তাহা অস্বীকার করিল। এবং কারনের সমস্ত ধন সম্পদ তাহার মাথার উপর পতিত হইল। মাটি তাহা গ্রাস করিয়া ফেলিল। ইবনে আবি ওয়াক্কাছ ইসলাম গ্রহণ করিলে তার মা তাহাঁকে বলিল পিতামাতার আদেশ পালন করা আল্লাহ্‌র নির্দেশ, তুমি ইসলাম ত্যাগ না করলে আমি অনাহারে থাকব। ইহাতে তার বিশ্বাস আরও শক্ত হইল।

অনেক ইসলামগ্রহন কারীকে জোরপূর্বক তাদের ধর্মে ফিরিয়া নিলেও তাহারা এবার বিশ্বাসে ফিরিয়া আসত। নুহ আঃ ১০৫০ বৎসর বাচিয়া ছিলেন। শুধু সৎ প্রচারের জন্য। প্লাবনের পরে ৬০ বৎসর জীবিত ছিলেন। দীর্ঘকাল হইলে ও বোঝা যায়- সৎ এঁর বিরুধাচ্রনের পরিনাম কি হয়।

প্রত্যেক বস্তকেই আল্লাহ্‌র নিকট উপস্থিত থাকিতে হইবে।

লুত আঃ ইব্রাহীম আঃ এঁর ভাতিজা ও ভাগিনা ছিলেন। ইব্রাহীম আঃ সহিহ সালেহ অবস্থায় অগ্নিকুণ্ড হইতে বাহির হইলে লুত তাহার প্রতি ঈমান আনেন। আল্লাহ্‌র কুদরতে ইব্রাহীম আঃ এঁর ওরসে বিবি হাজেরার গর্ভে হিজরতের সময় ৭৫ বৎসর বয়সেই ইসমাইল আঃ এবং ১২০ বৎসর বয়সে বিবি সারার গর্ভে ইসহাক আঃ এঁর জন্ম লাভ হয়।