আল কোরানের ৩য় পারার শানে নুযূল।hadith of the day

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

hadith of the day

শুরু করিতেছি আল্লহা তায়ালার নামে যিনি পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু।

সুরা আলে ইমরান ২৬,২৭ নং আয়াত অতিব গুরুত্বপূর্ণ, অহ রহ পড়িতে থাকুন কুলিল্লাহুম্মা মালিকাল মুলকি হইতে—–বেগাইরি হিছাব পর্যন্ত।

অর্থঃ তুমি বলহে আল্লাহ্‌ তুমি রাজত্তের মালিক। তুমি যাকে ইচ্ছা করও শাসনক্ষমতা দাও, আর যার থেকে ইচ্ছা তার থেকে শাসনক্ষমতা কেডে নাও। যাকে তুমি ইচ্ছা ইজ্জত দাও, আর যাকে তুমি ইচ্ছা লাঞ্ছিত কর। তোমারই সকল প্রকারের কল্যাণ। নিচ্ছয় তুমি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

তুমি রাত কে দিনের মধ্যে আর দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করাও এবং মৃত থেকে জীবন্ত জিনিষকে আর জীবিত থেকে মৃতকে বের কর এবং কোন হিসাব ছাড়া যাকে ইচ্ছা রিজিক দান কর।

রাসুল (সাঃ) বলেছেন সূরা বাকারার অতিবগুরুত্বপূর্ণ শেষ ২টি আয়াত (আমানাররাসুলু বিমা উনজিলা হইতে কাফেরুন) সর্বোত্তম ক্ষমাপ্রার্থনার আয়াত, রাতে যে বেক্তি পর্বে তাহাই তার জন্য সথেস্ট। আলকোরআনে সর্বদা চর্চা করুন।

আল্লাহ্‌ যাহা চান তাহা হয় বিধায় বৃদ্ধ যাকারিয়া (আঃ) এই অবস্থায়ই সন্তান লাভ করেন। লক্ষণ হিসাবে আল্লাহ্‌ তাহাঁকে ৩দিন পর্যন্ত আল্লাহ্‌র জেকের করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ঈসা (আঃ) এর কাছে হাওয়াডিদের ষড়যন্ত্রমূলক ইসলাম মানার প্রস্তাপ আল্লাহ্‌ প্রত্যাখান করিয়া দেন। এবং নবীকে উঠাইয়াও নেয়ার প্রস্তাব দেন। আল্লাহ্‌ সাবধান করিয়া দেন যে তাহলে কিতাবিগণের কতিপয়দের তারা তাদের ধর্মে (কুফরে) দীক্ষিত করতে চাহিবে। খ্রিস্টানগণ মরিয়মকে আল্লাহ্‌র বিবি এবং ঈসা (আঃ) কে আল্লাহ্‌র পুত্র বলিত। ইহুদীরা বলিত কুরাইশদের যুদ্ধে পরাজয় করিয়াছ কিন্তু আমাদের সাথে যুদ্ধ বাজিলে বুঝিবে যুদ্ধ কাহাকে বলে। তাই কাফেররা ১৩০০ সৈন্য লইয়া মুসলমানদের ৩০০ সৈন্যের কাছে পরাজিত হইয়া বুঝিয়াছিল জয়-পরাজয় আল্লাহ্‌র হাতে। নবী (সাঃ) ইহুদীদের সাথে ঈমান সম্বন্ধে তাদের আলেমদের সঙ্গে বাহাসে বসিয়াছিলেন কিন্তু তারা প্রয়োজনীয় আয়াতগুলি আনিল না এবং ঈমান ও গ্রহন করিল না।

আল্লাহ্‌ অমোওসুমে ফল দান করিয়া থাকেন, কাজেই বৃদ্ধ বয়সেও হযরত যাকারিয়া কে সন্তান দান করিয়াছিলেন। কাফেরেরা মাটীর তৈরি আদমকে খোদার পুত্র বলিত, কিন্তু যিনি পিতা ব্যাতিত শুদু মাটির দ্বারা সৃষ্টি হইয়াছেন তাহাতে আশ্চর্যের কি আছে! আল্লাহ্‌ সবই পারেন।