আল কোরানের ৫ম এবং ৬ষষ্ঠ পারার শানে নুযূল।hadith of the day

hadith of the day

আল্লাহ্‌ সব পাপ মাফ করিয়া দিতে পারেন। শুধু তার সাথে কাউকে শিরিক করা বাদে। ইহা এমন একটি পাপ যাহা আল্লাহ্‌ কাউকে মাফ করবেন না।

আল্লাহ্‌ মানুষকে সমস্ত কিতাব সমূহ পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন।

যেকোনো মঙ্গল আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকেই আসে। আর যেকোনো ও অমঙ্গল শুধু

নিজের কারনেই হইয়া থাকে। আল্লাহ্‌ কেয়ামত দিবসে সমস্ত মানুষকে অবশ্যই সমবেত করিবেন বিচারের জন্য,কারও পতি কোন প্রকার জলুম করা হবে না নিরচিত জেনে রাখ। যাহারা আল্লাহ্‌র সাথে নামাজে দাঁড়াইয়া আল্লাহ্‌র জিকর খুবই কম করে, তাদের নামাজ লটকানো অবস্থায় আছে, তারা মোমিনও না, কাফিরও না।

পস্পরের স্মতি ছাড়া তোমরা অবশ্যই আকে অন্যের সম্পদ আত্মওসাত করিবেনা।

আর যারা এই কাজ করে তাদের কে আল্লাহ্‌ আগুনে নিক্ষেপ করিবেন।

আল্লাহ্‌ সবি জানেন। এসতেঞ্জা বা তৈয়ম শুধু স্বীয় মুখমণ্ডল ও হস্তদ্বয় মছেহ করা। ইহা কোরানের বিধান।

তোমারা আল্লাহ্‌র প্রতি ও কিয়ামত দিবসের উপর ঈমান রাখও।

আল্লাহ্‌র কুরআন ও তার প্রেরিত রাসুলদের উপর আস্থা রাখো।

তোমারা যে অবস্থায়ই থাক তোমাদের মরণ হবেই।

আল্লাহ্‌র তরফ থেকে কাফেরদের বিরুধে স্নগ্রাম-শক্তিকে প্রতিহত করার জন্যই জেহাদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

সালামের প্রতি উওর ঠিক সেভাবেই দিতে হবে।

আল্লাহ্‌ নিশ্চয় সমস্ত মানুষদের কেয়ামত দিবসে একত্রিত করবেন, এতে কোন সংদেহ নাই। তোমরা কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব করিও না, মিশিবেও না যতক্ষণ পর্যন্ত মুসলমান না হয়। কিন্তু যদি এমন হয় তাহাদের ও তোমাদের মধ্যে চুক্তি রহিয়াছে শান্তিভাব বজায় রাখার জন্যে, আর যদি এমন হয় যে তোমাদের অন্তর তাহাদের অন্তরের সাথে মিশিয়াছে তার পরেও সাবধান থাকা উচিৎ।

আল্লাহ্‌ নবী {সাঃ} কে বলিয়াছেন তোমার উমতেরা বলিবে আমাদিগকে দেখান। মুছা {আঃ} এর আমলে অনেক অনেক ওসাধ্য ঘটনা ঘটানো হয়েছিল- তাহাতেও তাহারা ঈমান আনেনি। কাফেররা কাফেরই রহিয়াছে। তাহাদের মাথার উপর পাহাড় আনা হয়েছিল শাস্তি দেওয়ার জন্য। কিন্তু তারা মাফ চাওয়ার পরে আল্লাহ্‌ পাহাড় সরাইয়া নেন। তার পরও তারা মানেনি তারা কাফেরই রয়েগেছে। মুতুর পূর্ব সময়ে ইহদিরা আলমে বুরজুগ দেখার সময় ঈসাকে স্বীকার করিবে কিন্তু কিয়ামত দিবসে তিনি তাহাদের বিরুধে সাক্ষ্য প্রদান করিবে। তাহারা অন্যায় ভাবে মানুষের ধনসম্পদ ভক্ষণ করিত।

ওহী প্রাপ্ত নবীগণ হ্লেন ইব্রাহীম {আঃ}, ইসমাইল {আঃ}, মুছা {আঃ} ইসহাক {আঃ}, ঈশা {আঃ}, দাউদ {আঃ}, হারুন {আঃ}, হারুন {আঃ} ও দাউদ {সাঃ} কে , অবগত করিয়াছেন।

মুসা {আঃ} এর সাথে আল্লাহ্‌ বিশেষ ধরনের কথা বলেছিলেন এই জন্য যে পরবর্তী নবীগনের পর আল্লাহ্‌র সম্মুখে মানুষের নিকট কোন ওযর বাহ্যিক দিষ্টিতে বাকি না থাকে- আল্লাহ্‌ পূর্ণ ক্ষমতাবান, বড়ই আলেম। কাফেরাও জানে আল্লাহ্‌ আছে থাকবে ইহা ভুলিলে চলিবে না।

মানুষের জন্য হারাম করা হয়েছে রক্ত, শুকুর, গায়রুল্লার জন্যে  অবধারিত জীব, শ্বাসরোধ্য করে মারা জীব, আঘাত এবং উচ্চস্থান হইতে পড়া মুত জীব, জবেহ করিয়া লওয়া জীব বেতিত জীব।

স্ত্রী সহবাস করিলেও পানি না পাইলে তৈয়ম করে নামাজ আদায় কর।

আল্লাহ মোহাম্মদ {সাঃ} কে আল কোরান দিয়া পাথাইয়াছেন সমস্ত কিতাব্দারিদের প্রকাশ অপ্রকাশ্য ভুল মিটাইয়া পূর্ণ সংশোধন করিয়া নেওয়ার  জন্য।

ইহদি নাসারারা আল্লাহ্‌র পুত্র দাবি করিলে তাহাদের বলিয়া দিন তোমাদের পাপের জন্যে শাস্তি কেন প্রদান করিবেন না ?

হাবিল কাবিলঃ

আল্লাহ্‌র হুকুমে হাবিলের সাথে কাবিলের সুন্দরি ভগ্নীর বিবাহ হইল কাবিল যাহাকে বিবাহ করিতে চাহিয়াছিল। ইহাতে সে রাগান্বিত হইয়া হাবিলকে হত্যা করিল।

হত্যার পরে পিতা ইব্রাহিমের বদদোয়ায় কাবিলের সবিশরির কাল হইয়া গেল।

আক বৎসর পর্যন্ত সে লাশ হইয়া ঘুরিয়া বেড়াইল ও ভয় পাইতে থাকিল।

অবশেষে অন্ধ পুত্রের হাতে নিহত হইল। কোন বেক্তি যদি কাউকে হত্যা করিতে আসে তবে আক্রান্তকারি আক্রমণ কারীকে হত্যা করা জায়েজ। অন্যায়ভাবে হত্যা করার শাস্তি হত্যা।

চুরি করিলে দান হাত কাটিয়া ফেলতে হবে। তওবা করলে চোরের ক্ষমা আছে। তিনি যাহাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন, যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। আল্লাহ্‌ ইচ্ছা করিতেন ইঞ্জিল তাওরাতকে সমর্থন করুক। আর আল কোরান ও ইঞ্জিল কে সমর্থন করুক। স্ব কিতাবই আল্লাহ্‌ অবতীর্ণ করেছেন।সব কিতাবই বরকতময়। মানুষেই সুধু এগোলর মধ্যে বা নকলের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করিয়াছে। আল্লাহ্‌ সব সম্প্রদায়ের জন্যে শরীয়ত ও পন্থা নির্ধারণ করিয়াছিলেন। আর যদি আল্লাহ্‌ ইচ্ছা করিতেন তবে তাদের সকলের জন্য একি উম্মত করিতেন। মানুষ নিজ প্রবিত্তি অনুযায়ী তাহা পরিবর্তন করিয়াছে।

আল্লাহ্‌ নবী {সাঃ} কে তার অবতারিত আল কোরানের মাধ্যমে  তাহাদের পারস্পারিক বিষয়ে মীমাংসা করিয়া দিতে নির্দেশ দিয়েছেন যাহা ইহদি নাসারা মানে নাই। কিতাব দ্বারা সকলকেই আল্লাহ্‌ পরীক্ষা করিয়াছেন। আর সকল কেই আল্লাহ্‌র কাছে ফিরে যেতে হবে। ইহদি নাসারা পরস্পর বন্ধু তোমাদের বন্ধুত্ব তাহাদের সাথে চলিবে না। তোমাদের বন্ধ আল্লাহ্‌ এবং রাসুলগন ,মোমেনগণ। ইহদি নাসারারা ইসলামের প্রতি ঈমান আনিলে  আল্লাহ্‌ তাদের ক্ষমা করে দিতেন ও শান্তির উদ্যানে দাখিল করিতেন। মছিহ ইবনে  মরইয়াম বা ইচ্ছা{আঃ} নিজেও তার উম্মতকে আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা  চাহিতে বলিয়া নিরাশ হইয়াছেন। অথচ আল্লাহ্‌ অতিশয় ক্ষমাশীল ও করুণাময়।