ডেঙ্গু জ্বর

ডেঙ্গুর ধরণ সমূহ আলোচনা করা হল। health

আগে ডেঙ্গু হলে জ্বর অনেক বেশি হত কিন্তু এখন আর বেশি জ্বর হয় না।

ডেঙ্গু জ্বরের চারটি সেরু টাইপ আছে। টাইপ ওয়ান, টাইপ টু, টাইপ থ্রি, টাইপ ফোর। এই বছর সেটি হচ্ছে টা হল টাইপ থ্রি। এই জ্বর টাই এই বছর বেশি হচ্ছে।

এই টাইপের ডেঙ্গুর লক্ষণ হল অঙ্গ পতঙ্গে জটিলতা দেখা দেয়। আপনার যদি এর আগে ডেঙ্গু হয়ে থাকে। কিন্তু আপনি জানেন বা  না জানেন। তাহলে আপনাকে যদি এই ডেঙ্গু মশায় কামড়ায়। আর যদি অন্য কোন ইনফেকশন দিয়ে এই জ্বর হয় তাহলে আপনার শরীরে ডেঙ্গুর মাত্রা অনেক বেশি এবং জটিল আকার ধারণ করবে। আপনার যদি আগে টাইপ ওয়ান দিয়ে হয়ে থাকে এবং পরে টাইপ থ্রি দিয়ে হয়ে থাকে। তাহলে তার জ্বর এবং ভিবিন্ন ধরনের সমস্যা হবে। সেটা জটিল আকার ধারণ করবে। টাই সাবধান আজকে যা বলব তা মেনে চলবেন।

আগে আমরা দেখতাম ডেঙ্গু হলে, শরীর বেথা, রেশ বেথা, রেশ, এবং চোখে বেথা হলেই আমরা ধরে নিতাম যে ডেঙ্গু হয়েছে।

কিন্তু এই বছর খুব জটিলতা দেখএ দিয়েছে। শরীর জ্বর আসেনা। কিন্তু এই বার ডেঙ্গুর হল- জ্বর আসেনা কিন্তু জ্বর জ্বর ভাব, দুর্বলতা ভাব, বমি আসে। কারো হয়ত মাথাবেথা। কিন্তু সে বুজতেই পারেনা। এই সময় যদি আপনার শরীর খারাপ হয়ে থাকে, বমি ভাব হয় আপনি সরাসরি চিকিৎসকের পরামশ নিন। দেরি করবেন না। এই বছর যারা মারা গেছেন। তারা অধিকাংশ স্বল্পতার কারণে, দেঙ্গ জ্বরে ভোগা।

এই কারণে ডেঙ্গুর শক সিনড্রোম হচ্ছে। যখন রক্তচাপ কমে যায়, প্রচণ্ড ডায়রিয়া হয়, বমি ভাব হয়, শরীর থেকে রক্তপাট হয়, আমরা আগে এই সব লক্ষণ খেয়াল করতাম। ডেঙ্গুতে তরল চলে যাচ্ছে। এটি শরীরের ভিত্রেই থেকে যাচ্ছে। এই তরল তা রক্ত নালি থেকে বাহিরের দিকে যাচ্ছে। টাই তার প্রেশার অনেক কমে যায়। তখন আপনি দুর্বলতা অনুভব করছেন। এই দুর্বলতা কাটানোর জন্য আপনি হয়তো চিকিৎসকের কাছে জান না। এই প্রেশার কমে যাওয়ার কারণে শরীরের ভিবিন্ন অঙ্গ পতঙ্গ সঞ্চালন হচ্ছে না।  যখন এই সমস্যা হয় তখন আপনি ডাক্তারের কাছে জান।  রক্তপাত বা প্লাটিলেটের কারণে যে সমস্যা হয়। তার চেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে পানি স্বল্পতার কারণে। একে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ডেঙ্গু শিক সিনড্রোম বলা হয়। মশা বেশি হওয়ার কারনেই এই সমস্যা হয়েছে।

এই মশা জন্মানোর প্রধান কারণ হোল ফুলের ট্যাব, জমা পানি।

ডেঙ্গু হলে আতঙ্ক না হয়ে সরাসরি চিকিৎসকের পরামশ নেন।

ডেঙ্গু হলে প্রচুর পরিমানে তরল জাতীয় খাবার খান। খাওয়া স্যালাইন, পানি, লেবুর রস, রোগীর মনে যা চায় তাই সে খাবে। এই ধরনের সমস্যা ১০ ঘন্তার মাঝে পরিখা করতে হবে। ডেঙ্গু হলে তরল জাতীয় খাবার বেশি করে খাবেন। যারা প্রেশার, ডায়াবেটিস, হার্টের রোগী তারা স্যালাইন দিতে ভয় পান। তারা এই সব রোগের মেডিসিন খাওয়া বন্দ করতে হবে। তার পর ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা করতে হবে।

health