ডেঙ্গু জ্বর

ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ এবং ডেঙ্গু থেকে বাঁচার উপায় সমূহ।

বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রভাব বর্তমানে খুব বেশি আকার ধারন করেছে। ইতিমধ্যে আটজন মারাগেছে। আরও অনেকেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

বর্তমান সরকার ডেঙ্গু প্রতিরোদে ভিবিন্ন বেবস্থা হাতে নিয়ে নিয়েছেন।

ভিবিন্ন কার্যাবলী সম্পাদন করতেছেন।

আপনি কিভাবে বুজবেন যে আপনি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন।

আপনি যদি এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। তবে কিভাবে তা প্রতিরোধ করবেন। তা নিচে বর্ণনা করা হল।

১। ডেঙ্গুর লক্ষণ সমূহঃ

 প্রথমত জ্বর থেকে এই রোগ আসে। স্বাভাবিক যে জ্বর আসে। তার তুলনায় এই জ্বরের পরিমাণ বেশি থাকে। এর তাপমাত্রা প্রায় ১০১ থেকে ১০২ ডিগ্রি হয়ে থাকে। এই জ্বর অনেক পর্যন্ত থাকতে পারে। শরীর থেকে জ্বর ঘামের মাধমে বের হয়ে যায়। কিন্তু পরে আবার এই জ্বর আসতে পারে।

শরীরে ভিবিন্ন জায়গায় বেথা হতে পারে। যেমন- মাথা বেথা,চুখে বেথা, পেছনে বেথা, চামড়ায় লাল দাগ দেখা জেতে পারে।

২।ডাক্তাররা বলেছেন এই সময় যেহেতু ডেঙ্গু জ্বরের তাই লক্ষণ দেখার সাথে সাথে হাসপাতালে জাবেন।

এই পর্যন্ত যারা মারা গেছেন তারা জ্বর কে অবহেলিত বলে মনে করেছেন।

 জ্বরের সাথে স্রদি-কাশি, প্রসাবে জ্বালা পুরা, অন কোন বিষয়ও থাকতে পারে। তবে ডেঙ্গু রোগীর লক্ষণ গুলোর মধ্যে জ্বর হল প্রধান লক্ষণ।

জ্বর হলে বসে না থেকে চিকিৎসকের পরামশ নিবেন।

৩।বিশ্রামঃ বিশেজ্ঞ্ররা বলেছেন, জ্বর হলে আপনাকে বিশ্রাম এ থাকতে হবে।

জ্বর নিয়ে দুউরাদুরি করা ঠিক হবে। প্রতি যেসমস্ত কাজ কর্ম করতেন তা বাদ দিতে হবে।

৪।খাবারঃ জ্বর হলে আপনি কি খাবেন? জ্বর হলে সবসময় তরল জাতিয় খাবার খাবেন। যেমন- ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের রস, স্যালাইন।

৫। যেসব ঐশুধ খাওয়া নিষেধঃ  স্বাভাবিক জ্বর হলে যেমন পেরাসিটামল

খাওয়া যাবে। স্বাভাবিক ওজনের একজন প্রাপ্ত বয়স্ক লোক প্রতিদিন ৪ টা করে পেরাসিমল খেতে পারবেন। যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সমস্যা থাকে। তবে আপনি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে পারেন।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে অ্যাসপিরিন জাতিয় মেডিসিন খাওয়া যাবে না।

৬। ডেঙ্গু জব্রের ক্ষেত্রে আসলে প্লাটিলেট কোন সমস্যা না। এই প্লাটিলেট বিষয় টি ডাক্তারের উপর ছেড়ে  দিন।এই জ্বরে প্লাটিলেট কোন প্রভাব ফেলবে না। দেড় থেকে সাড়ে চার লাখ পর্যন্ত প্লাটিলেট মানুষের শরীরে থাকে।

৭। ডেঙ্গু জ্বর প্রধানত তিন প্রকার।

এ , বি এবং সি।

এ বিভাগের রোগীরা নরমাল থাকে।স্বাভাবিক জ্বর থাকে। বেশীর ভাগ ডেঙ্গু জ্বর রোগী এই রকম হয়। এই বিভাগের রোগী হাসপাতালে ভর্তি হবার কোন দরকার নাই।

বি বিভাগের রোগীরা স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু কিছু লক্ষণ প্রকাশ প্রায়।

যেমন পেটে বেথা হতে পারে, বমি হতে পারে, কিছু খেতে পারেনা।

অনেক সময় দুই দিন জ্বর থাকার পরে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

এই সমস্যা হলে আপনাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

৮।সময়কালঃ এই রোগ শুরু হয় জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত।

 এই দুই মাসে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। কিন্ত এই বছর দেখা যাচ্ছে। জুন মাস থেকেই ডেঙ্গু জ্বর শুরু হয়ে গেছে।

৯।এডিস মশা কামড়ের সময়ঃ এই মশা কখনও অন্ধকারে কামড়ায় না।

এরা সাধারণত সকালবেলা এবং সন্ধ্যার দিকে কামড়ায়।

১০। এই মশার উতপতি স্থল হল জমা পানি। এই মশা সুন্দর সুন্দর বাড়িতে বসবাস করে। এই মশা পানিতে ডিম পাড়ে। সেখান থেকেই এই মশার জন্ম নেয়। তাই কোথায় যেন তিন বা পাঁচ দিনের বেশি পানি জমা না থাকে। সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ছাদের টপে, বাড়ির ছাদে, ফুলের টপে। তাই খেয়াল রাখতে হবে।

কোথায়ও যেন পানি জমা না থাকে।