বাংলা কোরআনে আজ ২১ পারার কথা আলোচনা করা হয়েছে।

বাংলা কোরআনের আজ ২১ পারায় যা রয়েছে তা বর্ণনা করা হল।

হে মোহাম্মদ (দঃ) এই গ্রন্থ আপনার প্রতি ওহী করা হইয়াছে, আপনি তাহা পাঠ করিতে থাকুন এবং সমাজের পাবন্দি করুন। নিচ্চয় নামাজ নির্লজ্জ ও অশোভন কাজ হইতে বিরত রাখে। খাদ্য হইতে শুরু তৈরি হয় আর মাটি হইতে খাদ্য তৈরি হয় আর খাদ্য ধাতব সমূহ হইতে। সুতরাং শুরু সৃষ্ট মানুষের উৎপত্তি মাটি হইতেই বলা যায়। যাহা একমাত্র আল্লাহ্‌র সৃষ্টি। আল্লাহ্‌র একত্তে বিশ্বাস মানুষের প্রকৃতিগত বিশ্বাস। সমস্ত ধর্মেই মানুষ বিপদের সময় আল্লাহ্‌কেই ডাকে, আর কাউকেই নয়। শিরক ও পত্তলিকতা সাধারণ গেনেরও বিরোধী। বৃষ্টি আল্লাহ্‌র দান ও নিয়ামত যা দ্বারা আমাদের রিজিক তৈরি হয়। সারাদিন গাছে পানি ডালিলেও বৃষ্টির পানির অর্ধেক ফলও পাওয়া যায় না। তারপরেও কি মানুষ বেঈমান থাকিতে পারে? পুণ্যপাপসমূহ নানা প্রকার কস্টের দ্বারা মাতা সন্তান লালন পালন করেন পিতাও ইহাতে সহায়িতা করেন, করা উচিত। আল্লাহ্‌র দাবী করেন মানুষের পিতা মাতার হক আদায় করা উচিত। আল্লাহ্‌র একত্ববাদে অবশ্যয় বিশ্বাস থাকিতে হইবে। যারা সৃষ্ট পদার্থ ও নির্মিত বস্তু তারা কিভাবে উপাস্য হইতে পারে? আল্লাহ্‌র পুনরুস্থানে অবিশ্বাসী কুফরদেরকে দেখিতেছেন এবং তাদেরকে যথোপযুক্ত শাস্তি প্রদান করিবেন। মুমিনগণ ধরজো ধারন করিয়া থাকিলে তাহাদিককে উপযুক্ত পুরষ্কার প্রদান করা হইবে। স্ত্রীকে মা বলিলে ইহা তালাকে ন্যায় হইয়া যায়। মুহাজিরগণ মদিনায় চলিয়া আসিলে আনছারদের সহিত তাহাদের প্রকিত স্বজন স্থাপন করিয়া দেওয়া হয়। জীবনে মরণে তাহারা পরস্পর অংশীদার হন। মোনাফেকেরা অনেক সময় মুসলমান হয় মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রে জড়িত করার জন্যে। তাহারা মনে করিত পারস্য ও রোম বিজয়ের সংবাদ নিছক ধাধা মাত্র। পারস্য ও রোমে দীর্ঘকাল মুসলিম অধিকার ও শাসন বলবৎ থাকে। মুমিন মাত্রই উচিৎ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর অনুসরন কারী ও অনুগত হইয়া যুদ্ধে দৃঢ়পদ হওয়া, যাতে মোনাফেকেরা ঈমানের দাবী করিয়া ঈমান সম্মন্দিয় কর্তব্য লঙ্গন করার জন্যে লজ্জিত হয়। ইমান্দার মুসলমানেরা ধর্মীয় যুদ্ধে শহিত হইতে পারিলে নিজেরা গর্ভবোধ করিতেন। গণিমতের মাল আসিয়া পড়িলে হজুরের কতিপয় বিবিগণের তাহা কিনিয়া  দফিবার পীড়াপীড়ি করিলে তাহাদিককে তালাক প্রদান করিতেও দ্বিধা করিতেন না। অতঃপর যথেচ্ছা গমন করিয়া পার্থিব সম্পদ লাভ করিয়া দিতেন।