ময়না তদন্ত বা posmodem করার কারণ সমূহ। all bangla newspaper

অস্বাভাবিক ভাবে মুতু হলে তার কারণ জানার যে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা হয় টাকে ময়না তদন্ত বলে।

ময়না তদন্ত করলে সব কিছু বেরিয়ে আসে। কেন মানুষ টির

মুতু হল।

যেমন- ধর্ষণ মামলার সততা যাচাই করার জন্য  ডিএনএন  পরীক্ষা  করা হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে বেরিয়ে আসে। কার বীর্য প্রবেশ করেছে।

গ্রিক শব্দ অটোপসি থেকেই ময়না তদন্ত নাম টি এসেছে।

এর অর্থ হল- মরা দেহ পরীক্ষা নিরীক্ষা করা। যেহেতু পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য এটি ব্যাবহার করা হয়। তাই টাকে ময়না তদন্ত বলা হয়।

ময়না তদন্ত করার নিয়ম- হত্যা, আত্মহত্যা, দুর্ঘটনায় মানুষ মারা গেলে। তার  মরা দেহ পরীক্ষা করা হয়। মরা দেহ টির কোন কোন অংশ সমস্যা হয়েছে। তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য বের করা হয়।

শরীরের প্রধান প্রধান অংশ যেমন- লিভার, কিডনি, ফুসফুস,মাথা ইত্যাদি পরীক্ষা করা হয়। এই অংশ গুলোর সমস্যা চিনহিত করার জনই ময়না তদন্ত করা হয়। ময়না তদন্ত করে মরা দেহ আবার শেলাই করে।আগের অবস্থায় আনা হয়। মরণ কিভাবে হয়েছে, কখন হয়েছে, ধর্ষণ হয়েছে কিনা, আঘাত পাপ্ত হয়েছে কিনা? বিষ খাওয়ানো হয়েছে কিনা, রক্ত ক্ষরণ হয়েছে কিনা এই সব তথ্য জানার জন্য ময়না তদন্ত করা হয়।

ফিইজধারি কারজ বিধিতে যদি পরিষ্কার ভাবে বলা হয়ে থাকে। তাহলে সেই সব মোট দেহের ময়না তদন্ত করা হয়। যেমন- হত্যা , দুর্ঘটনা, বিষপান, আঘাতের দাগ হলে এই ক্ষেত্রে ময়না তদন্ত করা হয়।

বাংলাদেশের ঢাকা মেডিকেল কলেজ সহ আর ভিবিন্ন স্থান আছে। যেখানে মর্গ আছে। সে খানেই ময়না তদন্ত করা হয়। ফ্রেন্সি বিভাগ সমূহে এই মর্গ থাকে। ময়না তদন্ত যত তারা তারি করা যায় ততই ভাল ফল পাওয়া যায়।

ময়না তদন্ত তিনভাবে করা হয়।

১। মেডিকেলঃ অস্বাভাবিক মুতু হলে এই ময়না তদন্ত করা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই তদন্ত করা হয়।

২।একাডেমিকঃ যারা মেডিকেলের ছাত্র তারাই এই ময়না তদন্ত করে থাকে।

৩। ক্লিনিক্যালঃ যারা অসুস্থ হয়ে মারা যায়। তাদের ক্ষেতে এই তদন্ত টি করা হয়।

আজ থেকে ১৭শ বছর আগে থেকেই ময়না তদন্ত চালু আছে।

সুত্র-all bangla newspaper