হাতের পেশির ব্যায়াম করার নিয়ম।

আজ আলোচনা করব হাতের পেশির ব্যায়াম করার নিয়ম।

দীর্ঘ সময় কর্মক্ষম থাকার জন্য প্রাপ্ত বয়স্ক বেক্তিদের  সপ্তাহে দুইবার পেশির ব্যায়াম করতে হবে

বলেছেন চিকিৎসকরা। ব্রিটেনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা  ডেইম সেলি ডেভিস বলেছেন, তার দেশের বেশির ভাগ শিশু এবং প্রাপ্ত বয়স্ক লোকেরা শরীর চর্চা করে না।

 শিশুদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে। যারা নবজাতকঃ নিজ থেকে নড়াচড়া করে না এমন শিশুদের দিনে অন্তত ৩০ মিনিট উপুর করে শুয়ে রাখতে হবে।

যেসব শিশুদের বয়স ১২  থেকে ৩৬ মাস তাদের প্রতিদিন ১৮০ মিনিট করে হাত –পা- ছুরে খেলতে পারে। এমন খেলার  বেবস্থা করতে হবে।

৩ থেকে ৪ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৬০ মিনিট করে ভিবিন্ন ধরনের ব্যায়াম করা সহ শারিরিক কর্মকাণ্ড করাতে হবে।৫ থেকে ১৮ বছর শিশুদের ক্ষেত্রে ডেলি ১ ঘণ্টা করে শারিরিক কাজ করাতে হবে। যেমন- স্কুল থেকে বারিতে আসা।

পেশি এবং হাড়ের ক্ষমতা বাড়ানো।

১৯ থেকে ৬৪ বছরের মানসের ক্ষেত্রে  সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ভারি কিছ বহন করতে হবে। এতে পেশির শক্তি বাড়বে। সপ্তাহে আপাদত ১৫০ মিনিট করে হাটতে হবে।

চাইলে আপনি সপ্তাহে ৭৫ মিনিট করে  রানিং করতে পারেন।

যাদের বয়স ৬৫ এর বেশি তাদের শারিরিক ভাবে ঠিক থাকার জন্য শারিরিক প্ররিশম বেশি করার দরকার। সপ্তাহে ১৫০ মিনিট কাজ করে সুস্থও থাকতে পারবেন।

অন্তঃ সত্তা নারি সপ্তাহে ১৫০ মিনিট কাজ করে শরীর সচল রাখতে হবে।

নিয়মিত হাতের কাজ করতে পারেন।

সন্তান জন্মদানের পর সপ্তাহে ১৫০ মিনিট করে শারিরিক কাজ করতে হবে। তবেই আপনার হাতের পেশি শক্তি বাড়বে।

যারা শারিরিক ভাবে অক্ষম তাদের ক্ষেত্রে যত তুকু পারেন মানুষের মতই কাজ করার চেষ্টা করবেন। ডাক্তার ম্যাক্স ডেভি  বলেন সব পরিবারই উচিৎ তার সন্তানদের কে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস তৈরি করা। কারণ ছোট বেলা থেকে শারীরিক  কাজ করার তৈরি করতে হবে।  তাহলেই বাচ্চা তারা তারি বেরে উঠবে।