হৃদরোগ এবং স্ট্রোক থেকে বাচার উপায়।online newspaper.

হৃদরোগ এবং স্ট্রোক থেকে বাচার জন্য বিজ্ঞানীরা কয়েকটি খাদ্য অভ্যাসের কথা বলেছেন। যে অভ্যাস গুলো পালন করলে আপনার হৃদরোগ ভা হয়ে যাবে।

১। নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন। এই ধরনের খাবারে জন্য শরীরে স্বাস্থ্যকর বেক্তরিয়া তৈরি হয়ে থাকে। এই বেক্ত্ররিয়া korestrrl  নিয়ন্ত্রন করতে সহায়তা করে।

আঁশযুক্ত খাবার গুলো হল- শিম, মোটর সুটি, কালাই, ডাল জাতীয় সবজিতে।

2। চ্রবি জাতীয় খাবার কম খাবেন। কারণ চ্রবিতে আছে বিভিন্ন ধরনের কোলেস্টেরল।যা হার্ট ষ্টকের মেইন কারণ।

চ্রবি জাতীয় খাবার গুলো – চিজ । দি, মাংস , মাখন, কেক, বিস্কুট, নারকেল ইত্যাদি।

৩। লবণ এমন একটি জিনিস যা খেলে আপনার শরীরের  উচ্চ্রক্ত চাপ বেরে যাবে। যা হৃদরোগ  ও স্ট্রোকের কারণ।তাই চিকিৎসা বিজ্ঞানিরা বলেছেন- লবন জত কম খাবেন ততই ভাল থাকবেন।

একজন মানসের দিনে বেশির মধ্যে ৬ গ্রাম লবন খাওয়া যাবে।  এর বেশি হলে সমস্যা হতে পারে।আমরা অনেকেই  পাতে লবণ খেয়ে থাকে।

যা আমাদের শরীরের জন্য বেশি ভাল না। পাতে লবণ খাওয়া অতিরিক্ত অভ্যাস, তাই অভ্যাস ছাড়তে তা না হলে উচ্চ রক্ত চাপ বেড়ে যাবে।

তাই এই থেকে বিরত থাকেন।

৪। ভিটামিন এবং মিনারেল জাতীয় খাওবার বেশি করে খাবেন। কারণ এই খাবার আমাদের সুস্থও থাকতে সহায়তা করে। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম  জাতীয় খাবার উচ্চ্ রক্ত চাপ কমাতে সহায়তা করে।

এই জাতীয় ভিটামিন পাওয়ার জন্য বড়ি বা টেবলেট ক্ষেতে হবে না।

আপনার শরীরে যদি ভিটামিন ও মিনারেল এর অভাব থাকে। তাহলে এই খাবার গুলো খাবেন। তাহলে ভিটামিন ও মিনারেল এর ঘারতি কমে যাবে।

৫। আপনার শরীর যদি বেশি মোটা হয়ে থাকে। তাহলে আজই ক্যালরি কমিয়ে ফেলুন। চিনি, লবণ, চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খেলে আপনি মোটা হয়ে যেতে পারেন। তাই ভিটামিন ও মিনারেল জাতীয় খাবার বেশি করে খাবেন। তাহলেই আর মোটা হতে পারবেন না। আপনাকে মনে রাখতে হবে। যারা বেশি মোটা তাদের ক্ষেত্রেই এই রোগ হবাএ সম্ভাবনা বেশি থাকে। পুরুষ ৩৭ এবং

নারির কোমর ৩১ হয়। তাহলে আপনার ওজন কমাতে হবে। না হলে উচ্চ রক্ত চাপ বেড়ে যাবে।

৬। সারাদিন শুধু রোবটের মত কাজই করবেন। আর বিশ্রাম নিবেন না। তা কি হয়। কাজ করার পর দৈনিক ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। তাহলে আপনার শরীরের অঙ্গ গুলো আবার সু গঠিত হবে। সব কান্তি দ্দুর হয়ে যাবে।

৭। পারলে ডেলি ১ ঘণ্টা করে বেয়াম করুন। এতে শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। রোগ বালাই কমে যাবে।

৮। মানসিক চাপ। মানসিক চিন্তা ভাবনা কমাতে হবে। তাহলেই এক দাপ এগিয়ে যেতে পারবেন।

৯। ধূমপান বিষপান। এই বাকটি মনে রাখতে হবে। যত ধূমপান করবেন ততই আপনার ফুসফুঁসের পচন ধরবে। তাই ধূমপান কখনও করা যাবে না।

Online newspaper