আল কোরআনের ২৭ পারায় আল্লাহ্‌ কি কি বলেছেন? বাংলা কোরআন

বাংলা কোরানে আজ ২৭ পারায় আল্লাহ্‌ কি কি বলেছেন। তা নিচে আলোচনা করা হলঃ আল্লাহ্‌র আদেশে অপরাধী লুত সম্প্রদায়ের উপর ফেরেশতাগণ মিত্রিরিকা- প্রস্তর নিক্ষেপ করা শুরু করলেন। আর যারা ধর্ম ভিরু তাদের জন্য একটি ঘর রাখা হল।আর সবই ধবংশ করিয়া দিল। মুসা {আঃ} প্রকাশও  প্রমাণ সহ ফেরাউনের কাছে প্রস্তাব পাঠাইলেও ফেরাউন ওনাকে যাদুকর ও পাগল বলেন।

পরে আল্লাহ্‌ ফেরাউনের সব সেনাবাহিনী সহ নদীতে ডুবিয়ে মারেন।

আর এড সম্প্রদায়ের উপর ঝড় প্রবাহিত করিয়া তাদের কে ধবংশ করিয়া দেন।

আর সালেহ {আঃ} এর সময় আল্লাহ্‌র আদেশে সামুদ সম্প্রদায়ের অপরাধী দেরকেও ধ্বংস করিয়া ছিলেন।তাহাদের উপর এমন আজাব আসিল যে তাহারা দারাইতেও পারেনা এবং প্রতিশুধ নিতেও পারেনা। আল্লাহ্‌ বিশাল ক্ষমতাশালী। কিয়ামতের দিন সব কিছু চূর্ণ বিচূর্ণ হইয়া যাইবে, আসমান ফাটিয়া যাইবে।

 অপরাধীকে চিরস্থায়ী দোযখে আর সৎ লোকদের কে চিরস্থায়ী বেহেশতে প্রবেশ করানো হইবে।

কাফের দের অনুরুধে মাঝে মাঝে নবী {সাঃ} কিছু কিছু  মোজেজা আল্লাহ্‌র হুকুমে দেখাতেন। কাফেররা বলিল তুমি যদি নবী হয়ে থাক তবে চাঁদকে দ্বি খণ্ড করে দেখাও। নবী {সাঃ} অঙ্গলি নাড়ালে চাঁদ কিছু ক্ষণের জনে দ্বি খণ্ডিত হয়ে যায়। তখন তারা বলিতে থাকে তুমি একটা যাদুকর। গভির চিন্তাবিদ থাকিলে মোজেজাকে সৎ এবং জাদকে অসত্য বলিয়া বুজিতে পারিবে।

জাহান্নামীদের কে জাক্কুম ঘাছের ফল খাওয়ানো হবে। যা খাইলে প্রচুর পিপাসা লাগবে।তারপর ফুটন্ত পানি পান করানো হবে।তাতে পেট জ্বলিয়া পুরিয়া যাইবে।

কিন্তু পিপাসা মিটবে না। সূরা আর রহমান ওঁ সূরা ওয়াকিয়াহ অতি গুরুত্ব পূর্ণ। বেশি বেশি পরিতে থাকুন।

২৬ পারায় আল্লাহ্‌ তায়ালা কি কি বলেছেন? বাংলা কোরআন

বাংলা কোরআনের ২৬ পারায় আল্লাহ্‌ কি কি বর্ণনা করেছেন।

তা নিচে আলোচনা করা হলঃ

হাদিস শরিফে আছে নবী {সাঃ} কে প্রশ্ন করিলে মাতার হকের কথা তিনবার বলার পরে পিতার প্রতি হকের কথা একবার একবার বলেছেন। কাজেই মাতার হক অনেক বেশি  দুগ্ধ পোষও সন্তানকে ২ বৎসর দুধ পান করানো উচিত। ইহা সব ব্যাপারে মঙ্গল জনক। আল্লাহ্‌ পিতামাতার সাথে সদবেবহার করার নির্দেশ প্রদান করিয়াছেন।

পিতামাতার সাথে অসৎ ব্যাবহারে কঠোর শাস্তির কথা কোরআনে বিস্তারিত বর্ণনা করা আছে। অহং কারের ফল চীর দোযখ বাস।

হ্যাঁ মুমিন আল্লাহ্‌র অনুগত হও।রাসুলের অনুসরণ করিয়া চল। নিজেদের আমল সমূহ বিনষ্ট করিও না। নিশ্চয় যারা  কাফের রহিয়াছে।অপর কে আল্লাহ্‌র পথ হইতে বিরত রাখিয়াছে। সে যদি কাফের অবস্থায় মারা যায় তবে আল্লাহ্‌ তাদের কে  কখনও ক্ষমা করিবে না। তোমরা কখনও সাহস অথচ সে কাফের অবস্থায় মিতুবরন করিয়াছে, তবে তাহাদিগকে কখনও আল্লাহ্‌ ক্ষমা করিবেন না। তোমরা সাহস হারাইও না, সন্দির প্রতি আহব্বান করিও না, তুমরাই জয়ী হইবে। আল্লাহ্‌ তায়ালা তোমাদের সাথেই আছেন। হিযরির ষষ্ঠবর্ষে হযরত (সাঃ) ১৫০০ সাহাবী ও কোরবানির বস্তু লইয়া ওম্রাহ পালনের উদ্দেশে হুদাইবিয়া নামক স্থানে বাধার মুখে অবতরণ করতঃ ওই বালিয়া কোরাইশদের কাছে দূত পাঠাইলেন যে আমরা এই বৎসর শুদু ওম্রাহ পালন করিয়াই যাইব। দূত ফিরিয়ানা আসিলে তিনি হযরত ওসমান কে পাঠাইলেন। তাহাঁকে হত্যার সংবাদ রটিলে  সাহাবীদের নিকট হইতে যুদ্ধের প্রতিজ্ঞা লইলেন। কোরাইশরা হযরত ওসমানকে ছড়িয়া দিলে হযরত ওই বৎসর ওম্রা না করিয়াই চইলা গেলেন। পরবর্তী বৎসর উম্রা পালন করিবেন এই সন্দিতেই বীজয়ের সূচনা হয়। মক্কা বিজয়ের সঙ্গে সঙ্গে দলএ দলে লোক আসিয়া ইমান গ্রহণ করিতে লাগিল। হিজরি সপ্তম সালে সিরিয়ার নিকটস্ত ইহুদী বসতিপূর্ণ খাইয়বার নামক স্থানে যুদ্ধে জয় লাভ করিলেন। হুদায়বিয়ার সন্দির উপকারিতা অনেক, তার মধ্যে খাইবারের বিজয় অন্যতম।  হ্যাঁ মোমিনগণ যদি কোন দুষ্কার্যকারী তুমকাদের নিকট কোন সংবাদ লইয়া আসে তবে তোমরা তা সাবধানে অনুসন্দান কর যেন অজ্ঞাতসারে কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতি না করে ফেলে।  সুবিচারের দিকে লক্ষ রাখিও, আল্লাহ্‌ ন্যায় বান্দাদিগকে পছন্দ করেন। হাদিশ শরিফে আছে প্রত্যেক লোকের দুইজন সঙ্গী আছে। একজন শয়তান, একজন ফেরেশতা। একজন ন্যায় কাজের প্রতি অন্নজন বদকাজের প্রতি অনুপ্রানিত করে থাকে।  হিয়াসব নিকাশের দিন সৎ বান্দাদিগকে বেহেশতে প্রবেশ করাইবেন। বলা হইবে তোমরা শান্তিতে ইহাতে প্রবেশ কর ? বেহেশতে আল্লাহ্‌ তায়ালার দিদার ম্লাভ করা সবচেয়ে বড় নিয়ামত।

আল কোরআনের ২৫ পারায় আল্লাহ্‌ কি বলেছেন? বাংলা কোরআন

বাংলা কোরআনের ২৫ পারার বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব।

সাথেই থাকুন। আর জানুন আল কোরানে কি বলা হয়েছে।

কেয়ামতের অবগতি, স্ত্রীলোকের গর্ভধারণ এবং যেকোন ফলের খুসা হইতে বহির্গমন সবকিছু আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় হয়। তখন তাহাদের শরীকদের ডাকিলে তাহারা বলিবে কেউই ইহার দাবিদার নাই, তাহাদের উপাসকেরা উধাও হইয়া যাইবে। আসমানের প্রতি চারি আঙ্গুল পরিমাণ দুর দুর ফেরেশতাগন এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেজদায় রত আছে।  আল্লাহ্‌ তায়ালা তাহাদের এই প্রার্থনা মঞ্জুর করার জন্যে  মুসরিকদিগকে পৃথিবীতে আযাবে গ্রেফতার করিতেছেন না। পূর্ববর্তী এবং পরবর্তীকালের সকল মানুষকেই  কেয়ামত দিবশে হাশরের ময়দানে ভাল-মন্দ , শান্তি-শাস্তির জন্যে একত্রিত করা হইবে। সেই দিন চুল পরিমাণও কাহারো প্রতি অবিচার করা হবে না। মুমিনেরা আল্লাহ্‌র একত্তে, রাসুলের প্রেরণে এবং পুনরুথানের সত্যতায় বিশ্বাসী থাকিবেন। মানুষ শিরক ব্যাতিত সর্ব প্রকারের পাপের শাস্থিভোগের পর বেহেশত প্রবেশ করিবে। কিন্তু প্রথমেই বেহেশত প্রবেশ করিতে হইলে সর্ব প্রকারের ফরজ, ওয়াজিব গুলি পালন করা এবং যাবতীয় পাপ কারজো বর্জন করা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শর্ত। আর নফল সহ এই কারজো-গুলি পালন করিলে বেহেশতেতো যাইবেই, আল্লাহ্‌র নিকটত্ব লাভ করিবে।

হাশরের দিনে কাফেররা হাজার হাজার বার আল্লাহ্‌ আমাদিগকে আবার পুনঃরায় পৃথিবীতে পাঠান, আমরা সৎ কাজ করিয়া সহিশুদ্ধ হইয়া পুনরায় এখানে চলিয়া আসিব। কিন্তু সেদিন আর কোন কাজই হবে না এর সতর্ক বানী আগেই জানাইয়া দেওয়া হইছে। কাফেরদের অনুরুধে হযরত {সাঃ} বিষটির জন্য দুর্ভিক্ষ নিরসনে দোয়া করিলে তাহা হইতে মুক্তি লাভ করিয়া তাহারা আবার শক্তির বাহাদুরি ও গোলযোগে লিপ্ত হয়ে যায়। আল্লাহ্‌র নির্দেশে আপনি আপনার কর্তব্য কর্ম প্রচার করিতে থাকুন, তাহারা ইহাই চায় যে আপনি প্রচার কাজ ত্যাগ করুন।

২৪ পারায় আল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌ তায়ালা কি কি বলেছেন?বাংলা কোরআন

বাংলা কোরআনে আজ আলোচনা করা হবে ২৪ পারায় আল্লাহ্‌ কি কি বলেছেন।

এঁর চেয়ে বড় যালেম আর কেউ শ্বাব্বস্থ হইতে পারেনা যারা আল্লাহ্‌ এবং আল্লাহ্‌র নাযিলকিত কোরআনকে মিথ্যা মনে করে। যাহারা সত্য বলিয়া বিশ্বাস করে ও আমল করে তাহারা যাহাই চাহিবে রবের কাছে রহিয়াছে যাহা তাহারা পাইবে ও ভোগ করিবে। তাহাদেরকে যাহা জিজ্ঞাসা করা হয় বলোতো আসমান জমিন কে কে সৃষ্টি করিয়াছেন তাহারা বলবেন আল্লাহ্‌। তাহারা যদি কোন রোগে পড়ে, বিপদে পড়ে তবে তাহা কি তাহাদের সৃষ্টি পুতুল দেবতা গুলি দুর করিয়া দিতে পারে- পারেনা তবুও তারা অন্ধ বিশ্বাস করে থাকে। আল্লাহ্‌ যাহাকে ইচ্ছা তাহাঁকে প্রচুর রিজিক দান করিয়া থাকেন। সিঙ্গায় ফু দেওয়ার পূর্বে একবার এবং ফু দেওয়ার পরে যখন সবকিছু ধ্বংস হইয়া যাইবে তখন আবার কথাটি বলা হইবে”” অদ্যকার রাজত্ব কাহার?” তখন কোন ক্রমকেই কোন সুপারিস কারি খুজিয়া পাওয়া যাইবে নাহ। নিজের কর্মফল নিজেকেই ভোগ করিতে হইবে। আপনি সৎ ব্যাবহার দ্বারা মানুষকে আল্লাহ্‌র দিকে আহব্বান করুন। সৎ কাজ ও অসৎ কাজ সমান নহে। আপনি সৎ ব্যাবহার দ্বারা অসৎ ব্যাবহারকে প্রতিরোধ করুন। একস্মাৎ দেখিতে পাইবেন আপনার সহিত যে শত্রু ছিল সে যেন একজন অন্তরঙ্গ বন্ধু হইয়া গেল। যখন আমি জমিত্যে ব্রিস্টি বর্ষণ করি তখন উহা নরম হইয়া উর্বর হইয়া উঠে, তাহাতে জমি সজিব হইয়া উঠে। মনে হয় মরা মাটি জীবিত হইয়া উঠে। নিচ্ছই তিনি প্রত্যেক বস্তুর উপর ক্ষমতাবান তিনিই ম্রিতদিগকে পুনঃরায় জীবিত করিবেন। কোন বেক্তি উত্তম যে বেক্তি কেয়ামতের দিন দোযখে নিক্ষেপ হইবে-না যে বেক্তি নিরাপদ অবস্থানে থাকিবে? তোমাদের যাহা ইচ্ছা করিয়া লও, তিনি তোমাদের সমস্থ কার্যকলাপ প্রত্যক্ষ করিতেছেন।

আজ নিয়ে এসেছি বাংলা কোরআনের ২২/২৩ পারার সম্পূর্ণ আলোচনা।বাংলা কোরআন

বাংলা কোরআনে আজ আলোচনা করা হবে, আল্লাহ্‌ ২২/২৩ পারায় কি কি বলেছেন?

ধাপে ধাপে আলোচনা করার চেষ্টা করব।

গনিমতের মাল আসিয়া পড়িলে হজুরের নিকট কতিপয় বিবিগণের তাহা কিনিয়া দিবার পিড়াপিড়ি করিলে তিনি তাহাদের কে তালাক প্রদান করিতে দিদা করিতেন না। আল কোরানে মুসলমান নারি কন্যা ও স্ত্রীদের মাথা হইতে নিম্নদিকে একটু কাপড় ঝুলাইয়া রাখার নির্দেশ করা হয়্যেছে। মানুষের কাজকর্ম লাওহহে মাফুজ কিতাবে লিখা থাকে। কোরআন বিশ্বাস কারীদের তাহার বিনিময় দেওয়া হবে। নেক্কারদের জন্য ক্ষমা ও সম্মানজনক জিবিকা থাকিবে। আর যারা কোরআনের আয়াতস্মুহের ব্যাবহারে নবী সাঃ কে পরাভুত করিবার চেষ্টা করত তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক কঠিন শাস্তি। যাহাদেরকে কাফেররা শরিক বলিয়া মনে করিতেছে। তাহারা বিন্দু পরিমাণও ক্ষমতা রাখে না। হে নবী সাঃ আপনি তাদের কে বলেন, কে তোমাদের জন্য আসমান ও জমিন থেকে খাদ্র প্রদান করেন?

 আরও বলিয়াদেন আমাদের রব আমাদের এবং তোমাদের সকলকেই একত্রিত করিবেন।

সঠিক মীমাংসা করিয়া দিবেন। জাহাদের কে কোরাইশদের দশ গুন প্রদান করিয়াছিলাম তাহারাও আল্লাহ্‌র রাসুলদের কে অবিশ্বাস করিত। হে রাসুল আপনি বলিয়া দেন, আমি তোমাদের নিকট কিছু বিনিময় চাহিয়া থাকিলে তাহা তোমাদের মধ্যেই রয়ে গেল। আর আমার বিনিময় তো আল্লাহ্‌র জিম্মায় রহিয়া গেল।

আল্লাহ্‌ মহাপরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়। হে মানব গন তোমাদের উপর যেসব নিয়ামত রয়েছে। তাহা স্মরণ কর।

আর কে আছে ? যিনি আসমান ও জমিন হতে তোমাদের জন্য খাদ্র প্রদান করেন?কাজেই আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কোন মাবূদ নাই।

সরবদায় সজাগ থাকিবে যে শয়তান তোমাদের কে ধোঁকা না দেয়। শয়তান তোমাদের প্রকাশ শত্রু। কাফের দে জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি আর মুসলমানদের জন্য রয়েছে উওম প্রতিদান। আল্লাহ্‌ এই কিতাব টি তাদের হাতে প্রদান করেছেন। আল্লাহ্‌ যাদের কে পছন্দ করেন।

ইয়াসিন, হেকমত পূর্ণও কিতাবের শপথ। নিঃসন্দেহে আপনি রাসলদের মধ্যে অন্যতম এবং সরল পথের উপর আছেন। এই কোরআন প্রবল প্রভাবশালী করুণাময়ের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ করা হয়েছে। যেন আপনি এমন লোকদের কে ভয় প্রদর্শন করেন। যাহাদের পূর্ব পুরুষদের উপর ভয় প্রদর্শন করা হয় নাই। এই খবর তাহারা আগে পাইনি। সূরা ইয়াসিন মহা গুরুত্বপূর্ণ অর্থপূর্ণ ও উপদেশমূলক একটি শ্রেষ্ঠ সূরা।

এই সূরা মমিন মুসলমানরাই পাঠ করে থাকেন। ইহার মর্ম ও মহৎ উপলদ্দির জন্য আপনারা অর্থ সহকারে পাঠ করিতে থাকুন।

মহা মহিমাময়ের শক্তি ও প্রতিপতি একত্ববাদের মোহে মুহিত হউন।

 এই সুরাতি ২২ পারার শেষে ও ২৩ পারার প্রথমে রয়েছে।

বিস্তারিত আল কোরানে পড়েন। কাফেরারা মিতকে এবং পচা হাড়কে জীবিত করা বিশ্বাস করিত না। যে আল্লাহ্‌ তাজা গাছের পাতাতে আগুন তৈরি করতে পারেন।

নির্জীব প্রদারথের মধ্যে জীবন তৈরি করিয়া দেওয়া তার কাছে এটা কোন কঠিন কাজ না। আসল কাফের দের বংশ নির্বংশ হয় নুহ {আঃ} এঁর প্লাবনে। পরে আবার কাফের দের উদয় হয় আল্লাহকে অবিশ্বাসের কারনে।

ঈমান না আনিলে আজাব খুব তারাতারি আসবে, ইউনুছ {আঃ} এটি ঘোষণা করলেন।ঘোষণা করার পর কেউ আর ঈমান আনল না। তাই আল্লাহ্‌ তাদের উপর গজব নাযিল করলেন।কাফেররা কান্নাকাটি শুরু করলেন। পরে আল্লাহ্‌ তায়ালা আজাব সরিয়ে নিলেন। আবার একদিন ইউনুছ {আঃ} যাত্রীবাহী নৌকায় উঠিলে সমুদ্রে ঝড় উঠে এবং আদেশে স্রিয়া যাওয়ার কারনে তিনি পাপি সনাক্ত হন। পরে তিনি সমুদ্রে জাপাইয়া পড়েন। তাহার কওমের এক লক্ষও বিশ হাজার লোক আসমানি আজাব দেখিয়া এবং মাছের ঘটনাবলি বুজতে পারিয়া ঈমান আনিয়াছিল।

এক সময়ে সুলায়মান {আঃ} যোধও কারজের ত্রুটির জন্য সেনাপতিদের সাথে রাগান্নিত হইয়া বললেন আজ আমি আমার ৭০ জন স্ত্রীর সাথে সহবাস করিব। ফলে তাহাদের গর্ভে ৭০ জন ধর্মজুদ্দা জন্ম গ্রহন করিবে।ইনশাল্লাহ না বলার কারনে আল্লাহ্‌ তাহার সিং হাসনের উপর মাত্র একজন অপূর্ণাঙ্গ সন্তান বা অপূর্ণাঙ্গ ঝড় নিক্ষেপ করিলেন।প্রবল পরাক্রমশালী আল্লাহ্‌র অবতারিত কোরআন অবিশ্বাসীগন না মানিলে তাঁহাদিগকে সমচিত শাস্তি প্রদান করা উচিত ছিল। কিন্তু তিনি মহা প্রজ্ঞাময়।

কাফেরা যদি কোরআন অবিশ্বাস করে তবে আপনি চিন্তিত হিবেন না।

তাহাদের মীমাংসা পরকালে হইবে। যারা আমল করে তারাই জ্ঞেনি এবং যারা আমাল করে না তারা মূর্খ। আল্লাহ্‌র একত্রে বিশ্বাস করা ওয়াজিব। আর যারা অবিশ্বাসী তাদের জন্য আছে শাস্তি।

Youtube channel এ সাস্ক্রাইব এবং ভিউ বাড়ানোর আসল উপায়।

যারা অনেক আশা করে ইউটিউব চ্যানেল খুললেন। ভাল ভাল ভিডিও আপলোড করলেন কিন্তু ভিউ হল না। আর সাস্ক্রাইব পেলেন না। তাহলে আপনার পরিশ্রম কোন সার্থক হল না।অনেকেই সাস্কাইব,ভিউ বিক্রি করে। আক সময় দেখা যায়। সেই ভিউ আর সাক্রাইব থাকে না। চ্যানেল স্পাম  হয়ে যার কারনে ইউটিউব চ্যানেল সাস্পেনেড হয়ে যায়। ইউটিউব এ বলা আছে কোন exchanger বা spider দিয়ে

ভিউ বা সাস্ক্রাইব বাড়ালে সেটা ইউটিউব এঁর নিয়মের বাইরে পরে যার কারনে আপনার চ্যানেল বাতিল করে দেয়। কখনও এই ধরনের কাজ করবেন না।

তাই আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি কার্যকারী কিছু কাজের কথা।

 আগে জানতে হবে আপনার চ্যানেল এ ভিউ এবং সাস্ক্রাইব আসবে কোথায় থেকে?

১. সার্চ

২. সামাজিক মাধ্যম

৩.backlink থেকে

এই তিন জায়গায় থেকে আপনার চ্যানেলে ভিউয়ার আসবে।

কিভাবে আসবে ভিউয়ার বা সাস্ক্রাইবার?

সার্চঃ মানুষ যে শব্দ/যা লিখে সার্চ দেয় তাকে আমরা কিওয়ারড বলি।

আপনি যে বিষয়ে ভিডিও আপলোড করবেন। সে বিষয় নিয়া research করতে হবে।

তার পর ভাল ভাল keyword খুজে বের করতে হবে। সে গুলো দিয়েই কাজ করতে হবে। তাহলে আপনি সার্চের মাধ্যমে ভিউ বা সাস্ক্রাইবার পাবেন।

২.সামাজিক মাধ্যমঃ সামাজিক মাধ্যম গুলোতে আপনার ভিডিও শেয়ার করেন।

আপনার ভিডিও ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভিডিও শেয়ার করেন। এখান থেকেও আপনি ভাল ভিউয়ার পাবেন। খুব তারাতারি।

 আপনি বানান বাংলা ভিডিও আর শেয়ার করলেন ইংলিশ গ্রুপে তবে কি মানুষ দেখবে?

এই বিষয় গুলো আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে।

backlink থেকেঃ আপনার চ্যানেলের সাথে আরেকটি সাইটের এঁর লিংক তৈরি করেন।

সেই লিংক থেকে আপনার চ্যানেলে ভিউয়ার পাবেন। মনে করেন রাস্তার পাশে একটি সাইনবোর্ড দেওয়া আছে। সেখানে লিখা আছে। আমাদের দোকানে সব ধরনের পণ্য পাবেন। পণ্য নিতে করিম ভাইয়ের দোকানে আসেন। মানুষ দোকানে যাবে ভাল লাগলে পণ্য কিনবে। এই ভাবে সব বেবসা চলে।

 এই রকম বজলেন?

এই কাজ গুলো করার পরেই। আপনি ফলাফল দেখতে পারবেন।

এই উপায় গুলো ছাড়া আর কোন উপায় নাই। আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন।

যে উপরের কাজ গুলো পারবেন না। তবে আমাদের কে ইনবক্স করেন। Seo service নামে মেনু আছে সেখান থেকে মেজেজ দিন।

বাংলা কোরআনে আজ ২১ পারার কথা আলোচনা করা হয়েছে।

বাংলা কোরআনের আজ ২১ পারায় যা রয়েছে তা বর্ণনা করা হল।

হে মোহাম্মদ (দঃ) এই গ্রন্থ আপনার প্রতি ওহী করা হইয়াছে, আপনি তাহা পাঠ করিতে থাকুন এবং সমাজের পাবন্দি করুন। নিচ্চয় নামাজ নির্লজ্জ ও অশোভন কাজ হইতে বিরত রাখে। খাদ্য হইতে শুরু তৈরি হয় আর মাটি হইতে খাদ্য তৈরি হয় আর খাদ্য ধাতব সমূহ হইতে। সুতরাং শুরু সৃষ্ট মানুষের উৎপত্তি মাটি হইতেই বলা যায়। যাহা একমাত্র আল্লাহ্‌র সৃষ্টি। আল্লাহ্‌র একত্তে বিশ্বাস মানুষের প্রকৃতিগত বিশ্বাস। সমস্ত ধর্মেই মানুষ বিপদের সময় আল্লাহ্‌কেই ডাকে, আর কাউকেই নয়। শিরক ও পত্তলিকতা সাধারণ গেনেরও বিরোধী। বৃষ্টি আল্লাহ্‌র দান ও নিয়ামত যা দ্বারা আমাদের রিজিক তৈরি হয়। সারাদিন গাছে পানি ডালিলেও বৃষ্টির পানির অর্ধেক ফলও পাওয়া যায় না। তারপরেও কি মানুষ বেঈমান থাকিতে পারে? পুণ্যপাপসমূহ নানা প্রকার কস্টের দ্বারা মাতা সন্তান লালন পালন করেন পিতাও ইহাতে সহায়িতা করেন, করা উচিত। আল্লাহ্‌র দাবী করেন মানুষের পিতা মাতার হক আদায় করা উচিত। আল্লাহ্‌র একত্ববাদে অবশ্যয় বিশ্বাস থাকিতে হইবে। যারা সৃষ্ট পদার্থ ও নির্মিত বস্তু তারা কিভাবে উপাস্য হইতে পারে? আল্লাহ্‌র পুনরুস্থানে অবিশ্বাসী কুফরদেরকে দেখিতেছেন এবং তাদেরকে যথোপযুক্ত শাস্তি প্রদান করিবেন। মুমিনগণ ধরজো ধারন করিয়া থাকিলে তাহাদিককে উপযুক্ত পুরষ্কার প্রদান করা হইবে। স্ত্রীকে মা বলিলে ইহা তালাকে ন্যায় হইয়া যায়। মুহাজিরগণ মদিনায় চলিয়া আসিলে আনছারদের সহিত তাহাদের প্রকিত স্বজন স্থাপন করিয়া দেওয়া হয়। জীবনে মরণে তাহারা পরস্পর অংশীদার হন। মোনাফেকেরা অনেক সময় মুসলমান হয় মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রে জড়িত করার জন্যে। তাহারা মনে করিত পারস্য ও রোম বিজয়ের সংবাদ নিছক ধাধা মাত্র। পারস্য ও রোমে দীর্ঘকাল মুসলিম অধিকার ও শাসন বলবৎ থাকে। মুমিন মাত্রই উচিৎ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর অনুসরন কারী ও অনুগত হইয়া যুদ্ধে দৃঢ়পদ হওয়া, যাতে মোনাফেকেরা ঈমানের দাবী করিয়া ঈমান সম্মন্দিয় কর্তব্য লঙ্গন করার জন্যে লজ্জিত হয়। ইমান্দার মুসলমানেরা ধর্মীয় যুদ্ধে শহিত হইতে পারিলে নিজেরা গর্ভবোধ করিতেন। গণিমতের মাল আসিয়া পড়িলে হজুরের কতিপয় বিবিগণের তাহা কিনিয়া  দফিবার পীড়াপীড়ি করিলে তাহাদিককে তালাক প্রদান করিতেও দ্বিধা করিতেন না। অতঃপর যথেচ্ছা গমন করিয়া পার্থিব সম্পদ লাভ করিয়া দিতেন।

Free online tv এবং radio শুনবেন কিভাবে?

পরিচয় করিয়ে দিব jagobd এঁর সাথে।

স্বাগতম free online tv and radio তে।

অনেকের হাতে এখন মোবাইল ফোনে আপনি ইচ্ছা করলে অনলাইন থেকে সরাসরি টিভি উ রেডিও শুনতে পারবেন।

অনলাইনে ফ্রি তে টিভি ও রেডিও শুনার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হল jagobd.

এই সাইটে আপনি কি কি টিভি দেখতে পারবেন?

তার ছবি নিচে দেওয়া হলঃ

 এছাড়াও পাবেন অনেক রেডিও যেগুলো একদম ফ্রি।

নিচের দেখেনঃ bangla radio

 এবার ভিবিন্ন ধরনের পত্রিকা পাবেন এই সাইটে।

তার মানে একের ভিতর সব। নিচের ছবিতে দেখেনেন কি কি পত্রিকা আছে।

 আমি এই সাইট থেকেই নিয়মিত টিভি দেখি। খুব ভাল মানের একটা সাইট।

আপনি ভিজিট করে দেখতে পারেন।

Online থেকে dollar buy& sell করার ওয়েবসাইট।

আমরা যারা অনলাইনে লেনদেন করি তাদের সবারই প্রায়। dollar buy & sell করার দরকার হয়। এমনি কিছু সাইট নিয়ে এসেছি। এই সাইট গুলো থেকে আপনি নিরাপদে ডলার কিনতে পারবেন। এবার সেল করতে পারবেন।

Bddollarbazar: আপনি এই সাইট থেকেও নিরাপদে ডলার কিনতে এবং বিক্রি করতে পারবেন। সাইট টি দেখতে পারেন।

২.buyselldollar: এই সাঁটটিও অনেক ভালো। এখান থেকেও আপনি ডলার কিনতে এবং বেচতে পারবেন। সাইটি

৩.ওইয়ালেটবিডিঃ এই সাইট থেকে আপনারা ডলার নিতে পারবেন।

সাইটি এখান থেকে ভিজিট করতে পারেন।

৪.dollarstorebd: এই সাইটি আসলে প্রচুর ডলার বেচা কেনা হয়। আপনি এখান থেকেও কিনতে পারেন। সাইটি দেখতে পারেন।

৫.tdbse: এই সাইটেও ডলার কেনা বেচা করতে পারেন।

তবে সাইটি দেখতে পারেন। দাম সব লেখা আছে।

৬.online dollar bd: এখান থেকেও নিতে পারেন। সব নোটিশ সাইটে গেলেই পাবেন। সাইটি দেখতে পারেন।

৭. Trust money exchange: এই সাইট থেকে ও নিরাপদে ডলার কিনতে পারবেন।

সাইটি দেখতে পারেন।

৮.dollarmardbd: আমি প্রথমে ভয় পেয়ে গেছিলাম। কিন্তু চিন্তা ভাবনা করে দেখলাম যে কোথায় থেকে ডলার কিনব। অনেক খোঁজাখুঁজির পর এই সাইট থেকে আমি ডলার কিনেছি। কোন টেনশন নাই। আপনি এই সাইট থেকে ডলার কিনতে বা বেচতে পারেন। কোন সমস্যা নাই। তবে সাইটির আপডেট চলছে।

সাইটি দেখতে পারেন।

৯.facebook group: অনেকেই বলে ফেসবুক থেকে নাকি ডলার কিনা বেচা করা যায়। তবে আমি বলব বেচা কেনা করা যায়। কিন্তু পতারকই বেশি।তবে কিছু জাগা আছে সেখান থেকে আপনি কিনতে পারবেন। তবে ফোন নাম্বার এবং আইপি এড্রেস টা রেখে দিবেন।

কিভাবে নিরাপদে ডলার কিনা বেচা করবেন। আপনি আগে ডলার কিনার জন্য টাকা দেওয়ার পূর্বে তার স্পমস্ত তথ্য গুলো সংগ্রহ করেন।

  • বিকাশ দিয়া টাকা দিলে মেজেটা টা সেভ করে রেখে দেন।
  • তার ফোন নাম্বার রেখে দেন।
  • আপনি যদি চ্যাট করে থাকেন তবে চ্যাট হিস্ট্রি সেভ করে রাখেন।
  • আইপি এড্রেস রাখতে পারেন।
  • যদি টাকা নিয়া ডলার না দেয়। আপনি সরাসরি রেবের কাছে যাবেন। গিয়ে কাছ থেকে পাওয়া তথ্য দিবেন। দেন কাজ ওকে। খুব তারা তারি তার খবর হয়ে যাবে।
  • সামনে আরও কিছু সাইট নিয়া আসব যেখান থেকে ডলার কিনতে বা বেচতে পারবেন।
  • আজ এই পর্যন্তই।