bangla quran para ১৫/১৬

বাংলা কোরআনে আজ থাকছে। ১৫/ ১৬ পারার আলোচনা।

আল্লাহ্‌ এই  দই পারায় যা বলেছেন।

তা নিচে আলোচনা করা হল। আল্লাহ্‌ এক রাতে মোহাম্মদ {সাঃ} কে মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আঁকশা পর্যন্ত লইয়া গেলেন। নানান ধরনের বরকত ময় কিছু নিরদশ্রন দেখালেন। তিনি অতিশয় শ্রবঙ্কারি,দরশন কারি।

তিনি মুসা {আঃ} কে কিতাব প্রদান করিলেন।বনি ইস্রাইলদের জন্য পথ পরধশক করিয়া দিলেন।

তিনি নুহের পর অনেক জাতিকে ধ্বংস করিয়া দিয়েছিলেন।

তার যত টুকু ইচ্ছা তিনি তাই করেন এবং তাহার জন্য দোযখ নির্ধারণ করেন।

তিনি নিজের পিতামাতাকে শ্রধা করার জন্য আহব্বান করেন।

আল্লাহ্‌ অপরাধীকে ধনসম্পদ দিয়া রাখিয়াছেন যাহা তাহারা আল্লাহ্‌র নাফরমানিতে বেয় করেন। আর মানুষ যেন জিনার নিকটবর্তী না হয়। ইহা বড় নিলজ্জার কাজ।

মানুষ যেন মাপে কম না দেয়, পুরাপুরি দেয়।

শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু। আল্লাহ্‌ ইচ্ছা করিলে তোমাদের উপর রহমত নাযিল করতে পারেন। আবার আজাব নাযিলও করতে পারেন।আল্লাহ্‌র দ্বারা সব করা সম্ভব।

মেরাজের ঘটনাকে কাফেররা অস্বীকার করে বলেছেন, এত অল্প সময়ে এত দুরের পথ অতিক্রম করা অসম্বব। মানুষ আসমানে আহরণ করা অসম্বব। মানুষ যদি রকেটের গতি এত বারাতে পারে তবে আল্লাহ্‌ বোরাকের গতি হাজার গুন বাড়াতে কোন ব্যাপারই না। মানুষ সমুদ্রে পরিলে আল্লাহকে ডাকে, যখন আল্লাহ্‌ তাদের কে কুলে ফিরিয়া আসে তখন তারা তা ভুলে যায়।  কুরাইশরা নবী {সাঃ} কে বলেছিল, আপনি যদি রাসুল হন তবে গরিব মানুষ গুলোকে আপনার নিকট হতে তাড়াইয়া দিন।

আল্লাহ্‌ ম্নবি {সাঃ} রাতের কিছু অংশ তাহাজুজত পরিতে আদেশ করেন। আল্লাহ্‌র রহমতে তিনি যেন মাকামে মাহমুদে স্থান পান।

আল্লাহ্‌ মানুষের জন্য সকল বিষয়ে আলোচনা করেছেন। যাতে মানুষ সৎ পথে চলতে পারে। কিয়ামত দিবসে আল্লাহ্‌ বিপদ গামিদেরকে অন্ধ,বুবা অ বধির করিয়া উহাদের মুখের উপর ভর করাইয়া হাঁটাইবেন। আল্লাহ্‌ আসমান –জমিন তৈরি করিয়াছেন।

তিনি মানুষের মত মানুষ তৈরি করতে পারবেন। তবুও কাফেররা বিশ্বাস করেনা।

রাসুল {সাঃ} কে শুধু সুসংবাদদাতা ও ভয় প্ররদরশন কারি হিসাবে পাঠিয়েছেন।

আর বাকি সব হিসাব নিকাশ আল্লাহ্‌র হাতেই রেখেছেন।

সূরা কাফ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য যিনি মুহামদ {সাঃ} এর উপর আল কুরআন নাযিল করিয়াছেন। যে বেক্তি আল্লাহ্‌ কে মিথ্যা অপবাদ দেয়, নিশ্চয় সেই বেক্তি বড় জালেম।

বর্তমান জগতের চাকচিক্যও দেখে মানুষ যেন সকাল সন্ধায় ইবাদত হইতে বিরত না থাকে। আল্লাহ্‌ নবি{সাঃ} কে আদেশ করেছেন, হে নবী আপনি বলিয়া দেন যে, সৎ ধর্ম আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে এসেছে। সুতরাং যাহার মনে চায় ঈমান আনুক, আর যাহার মনে চায় কাফের থাকুক, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ এই সব অত্যাচারীদের জন্য আগুন তৈরি করিয়া রাখিয়াছেন। আর দোযখ কতই না, খারাপ।

পানি চাইলে তেলের গাদের মত পানি দ্বারা তাদের আশা পূর্ণ করিবে। যা তাদের মুখমণ্ডল কে ভুনিয়া তুলবে?

আর যারা সৎ ভাবে জীবন যাপন করেছে। তারা অন্তকাল শান্তিতে থাকবে। তাদের থাকার জায়গার নিচ দিয়ে নহর থাকবে।ছোটও পাপ বড় পাপ সব পাপের জন্য জবাব দিহি করতে হবে। কাফেররা অনর্থক কথা নিয়া ঝগড়া তৈরি করে। যাতে সৎ তলায়ে যাক। আল্লাহ্‌ তাহাদের অন্তরের উপর পর্দা রাখিয়াছেন।আর তাদের কর্ম সমূহের ইয়পর ছিপি রাখিয়াছেন আল্লাহ্‌। আল্লাহ্‌ তার এক বান্দাকে পাঠালেন যাহাকে আল্লাহ্‌ গাছ রহমত দান করিছিলেন।

আল্লাহ্‌ তাকে একটি এলেম দান করেছিলেন। মুসা{আঃ} বলেছিল আমি কি আপনার সাথে থাকতে পারি। আপনি আমাকে এই বিদ্যা টা শিখাবেন। লোকটি বলেছিলও আপনি ধৈর্য ধরতে পারবেনা। মুসা{আঃ} বলল আপনি যা বলিবেন আমি তাই করব। তখন লোকটি বলিল আমি করব আপনি টা দেখবেন কিন্তু কোন প্রশ্ন করতে পারবেন না।

দুই জনে একসাথে চলিতে লাগ্ল।চলতে চলতে যখন নুউকা টি তিনি ছিদ্র করিয়া দিলেন। মুসা বলিল আপনি নুউকা ছিদ্র করিয়া দিলেন যাত্রী গুলো কে ডোবাবার জন্য। লোক টি মুসা আপনি আমার সাথে থাকতে পারবেন না। মুসা বলিল আমার ভুল হয়ে গেছে। আবার চলিতে লাগিলেন। চলতে চলতে এক বালকের সাথে দেখা হল তিনি বালক টিকে মেরে ফেললেন। মুসা বলল আপনি অন্যায় করতেছেন।

লোকটি মুসা আপনি আমার সাথে থাকতে পারবেন না।

মুসা বলিল আর কোন প্রশ্ন করব না আপনাকে।

চলতে চলতে  এক জায়গায় গ্রাম বাসীদের কাছে খাবার চাইলেন। তখন একটি কাজ পাইল। কাজের বিনিময়ে তারা কিছু মজুরি নিলেন।

সেই বেক্তি বলিল মুসা প্রথমে আমি যে নুউকা টা ছিদ্র করে ছিলাম সেই নুউকা টা ছিল গরিব মানুষের। সেই নুউকাতে এক রাজা ছিল। সে রাজা ভাল নৌকা গুলো জোর করে নিয়ে যেত।

আর বালকটির পিতা ছিল ঈমানদার। সে বালকের মাঝে কুফরের ছায়াপাত পড়ে। তাই তাকে মেরে ফেলেছি। পড়ে আল্লাহ্‌ তাদের একটি সৎ সন্তান দান করেছেন।

আর ঐ প্রাচীর টি ছিল ২ দুটি  এতিম বালকের যাহারা ঐ শহরে থাকে এবং সেই প্রাচীরের নিচে কিছু ধন পোতা ছিল। আল্লাহ্‌ ইচ্ছা করিলেন তারা যেন এই ধন ফিরে পেয়ে লাভবান হয়। আমি কোন কাজই নিজের মত করে করি না। আল্লাহ্‌ যা ইচ্ছা করেন। তাই করি। আল্লাহ্‌ পবিত্র, যখন তিনি যাহা করিতে চান। তিনি শুধু বলে হয়ে হাও, সাথে সাথে হয়ে জায়।আল্লাহ সকলেই রব। আর আপনি কাফেরদেরকে বলিয়াদেন পরিতাপ দিবসের কথা। যে দিন তাহারা হিসাব নিকাশ ও কর্ম ফলের জন্য আমার কাছে আসিবে। সেদিন তাহারা কতই শ্রবণকারী কারি হইবে। যে দিন শেষ মীমাংসা করিয়া দেওয়া হইবে।

আল্লাহ্‌ মানুষকে তৈরি করিয়াছেন মাটি হতে, আবার সেই মাটিতে আমাদের ফিরে যেতে হবে। আবার সেই মাটি থেকেই আমাদের কে জাগিয়ে তুলবেন।

আল্লাহ্‌ আদম তৈরি করার পর ফেরেশতা গন কে বলিলেন আদমকে সেজদা কর।সবাই সেজদা করিল শুধু ইবলিশ বাদে।আল্লাহ্‌ তাহাদিগকে বলিল তোমরা বেহেশতে আরাম আয়েশে থাক। তোমাদের কোন কিছুর অভাব নাই।

কিন্তু কারর পতারনায় ঐ গাছের ধারে কাছে যেওনা। পরে শয়তান বলল এই গাছের ফল খাইলে তোমরা এখানে চিরস্থায়ী থাকবে। তাহারা লোভ করিয়া এই ফল খাইল।খাওয়ার পরে তাদের কে বেহেশত থেকে নামিয়ে দেওয়া হল।৩০০ বছর পর আল্লাহ্‌ আদম কে ক্ষমা করে দিলেন। যারা ভুল পথে আছে তাদের কে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উঠাব। আর যারা সৎ পথে চলেছেন। তাদেরকে আল্লাহ্‌ কিয়ামতের দিন আলোর বর্তিকা সাথে দিয়া উঠাবেন।

নবি{সাঃ} বলেছেন যে বেক্তি প্রতি শুক্রুবার এ সুরাটি পূর্ণ পাঠ করিবে তাহা তার ২ সপ্তাহের আলোক বর্তিকা হইয়া থাকিবে।